হৃদয় থেকে জন্মেছে রেনে, সুস্মিতা সেন

Published By: Khabar India Online | Published On:

মেয়ে রেনে গর্ভে নয়, হৃদয় থেকে জন্ম নিয়েছে উল্লেখ করে বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন বলেছে, ‘আমার তখন ২৪ বছর বয়স। রেনে আমার হৃদয় থেকে জন্ম নিল। জীবনের বিশাল বড় সিদ্ধান্ত ছিল।’

৮ মার্চ নারী দিবসে তিনি ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি বিজ্ঞাপনের ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে ‘সিঙ্গল মাদার’দের জয়গান গাওয়া হয়েছে। সেই ছবির সঙ্গে তিনি তার মা হওয়ার অভিজ্ঞতা জানালেন। ১৬ বছরের রেনে তার প্রথম সন্তান। যাকে ২০০০ সালে তিনি দত্তক নিয়েছিলেন।

 একা সন্তান পালন করা সম্ভব নাকি? বিয়ে না করেই মা? ইত্যাদি নানা রকম কথা শুনতে হয়েছে। কিন্তু তাও তাঁকে আটকাতে পারেননি কেউ। ২০১০ সালে আলিশাকে দত্তক নেন সুস্মিতা সেন। নারী দিবসে রেনে এবং আলিশা, দুই কন্যাসন্তানকে দত্তক নেওয়ার পরের বিতর্ক এবং একঘর আনন্দের কথা জানালেন তিনি।

আরও পড়ুন -  'বর্ধমান সহযোদ্ধা'র দশম বর্ষপূর্তি উদযাপন 

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে তিনি লিখলেন, আমার তখন ২৪ বছর বয়স। রেনে আমার হৃদয় থেকে জন্ম নিল। জীবনের বিশাল বড় সিদ্ধান্ত ছিল। অনেকে প্রশ্ন তুলেছিল। দত্তক নেবে কেন? বিয়ে না করে সন্তান পালন করবে কী ভাবে? সিঙ্গল মাদার হওয়ার জন্য প্রস্তুত আদৌ? তোমার পেশাগত এবং ব্যক্তিজীবনে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব কী হবে আন্দাজ করতে পারছ? প্রশ্ন এবং মতের কোনও শেষ ছিল না… কিন্তু সুস্মিতা জানতেন, বিশ্বাস করেছিলেন, তিনি ঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তিনি মনে মনে জানতেন, মা হওয়ার জন্য একেবারে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। আর আজ তিনি জানাচ্ছেন, সেই সিদ্ধান্ত তার জীবনের সব থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন -  থাকতে চান না আলিয়া, রণবীরের মায়ের সঙ্গে, নিতু কাপুর বাড়ি ছেড়েদিলেন

 গত বছর স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি ‘সুট্টেবাজি’-তে অভিনয় করেছেন রেনে। বিভিন্ন সময় নিজের জন্ম পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন রেনে।

রেনে তখন বলেছিলেন, ইনস্টাগ্রামে আমার মায়ের আসল পরিচয় নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। আমি তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, আসল মায়ের সংজ্ঞাটা ঠিক কী?

আরও পড়ুন -  করোনার সর্বগ্রাসী আতঙ্কের মধ্যেও বলিউড থেকে এল একটি ভালো খবর, করোনামুক্ত হলেন sonu sood

তিনি আরও লিখেছিলেন, আমার জন্ম হয়েছে আমার মায়ের মনে। আমার কাছে এটাই সত্যি।

 রেনের ১৬তম জন্মদিনে সুস্মিতা তার বাবা-মায়ের সন্ধান করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

অভিনেত্রী তার মেয়েকে জানিয়েছিলেন, আদালতে রেনের অভিভাবকদের সম্পর্কে কিছু তথ্য থাকতে পারে, যা তিনি ১৮ বছর হওয়ার পর পাবেন।