এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অধ্যায়—যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে বিস্তৃত সংলাপ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আগামী ২৯ মার্চ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বসতে যাচ্ছে এই বৈঠক। এতে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রসি জানিয়েছেন, এই সংলাপে শুধু যুদ্ধ পরিস্থিতি নয়, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুও গুরুত্ব পাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার আহ্বান জানাতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রাখার প্রস্তাবও থাকতে পারে।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। তেল ও গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিভিন্ন দেশ অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যার মধ্যস্থতায় রয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের এই বৈঠকে সেই প্রস্তাব গুরুত্ব পাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপ সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতেও স্বস্তি ফিরতে পারে।

