Saudi Aramco Ras Tanura Drone Attack ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরায় অবস্থিত সৌদি আরামকোর বৃহত্তম তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে।
বুধবার সকালে রাস তানুরা এলাকায় একটি স্থাপনায় ড্রোন আঘাত হানে বলে জানিয়েছেন সৌদি সরকারের এক কর্মকর্তা। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ তেলের বড় অংশ সরবরাহ করে এমন এই গুরুত্বপূর্ণ শোধনাগারেই হামলার ঘটনা ঘটে।
রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকো পরিচালিত এই শোধনাগারটি সৌদি আরবের অন্যতম প্রধান তেল পরিশোধন কেন্দ্র। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে একটি ড্রোন ব্যবহার করেই হামলাটি চালানো হয়েছে। তবে এই হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগেও একই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা হয়েছিল। গত সোমবার রাস তানুরা রিফাইনারিকে লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি ড্রোন সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করে। পরে ধ্বংসাবশেষ পড়ে শোধনাগারের একাংশে আগুন ধরে যায় বলে জানা যায়।
সেই ঘটনার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্থায়ীভাবে প্ল্যান্টটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার আগেই নতুন করে ড্রোন হামলার ঘটনা উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (IAI) সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুধবার রাতে চালানো ওই হামলাকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। হিজবুল্লাহ বলেছে, লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক এই হামলাগুলো অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও জ্বালানি বাজার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

