Summer Vacation: গ্রীষ্মকালীন ছুটি বৃদ্ধি, দাবদাহের কারণে স্কুল খোলার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষা দপ্তর

Published By: Khabar India Online | Published On:

Summer Vacation: গ্রীষ্মকালীন ছুটি বৃদ্ধি, দাবদাহের কারণে স্কুল খোলার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষা দপ্তর।

রাজ্যে ক্রমবর্ধমান দাবদাহের জেরে গ্রীষ্মকালীন ছুটি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। শিক্ষা দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত ২ জুন স্কুল খোলার দিন এখন আর কার্যকর হচ্ছে না। ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গরমের ছুটি আরও ৭ দিন বাড়ানো হচ্ছে বলে প্রশাসনিক মহল সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন -  Horoscope: আজ ১লা অক্টোবর, রাশিফল দেখুন

প্রসঙ্গত, আগে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা লাগাতার বেড়ে চলায় এবং স্বাভাবিক বর্ষার আগমন এখনও নিশ্চিত না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে নেওয়া হচ্ছে। গ্রীষ্মের তীব্রতা থেকে শিশুদের রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার মনে করছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা একেবারেই অনুচিত এবং বিপজ্জনক হতে পারে।

আরও পড়ুন -  করণ জোহরকে এক হাত নিলেন দিব্যা আগরওয়াল, বলিউডের রাজা মনে করেন নিজেকে !

নবান্ন ও শিক্ষা দপ্তরের যৌথ আলোচনায় ছুটির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে প্রাথমিক সম্মতি গৃহীত হয়েছে। যদিও এখনো পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনো চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি, তবে পরিস্থিতির উপর নজর রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা আসতে পারে।

আরও পড়ুন -  Kalipujo: প্রতিমার রঙের প্রলেপ দেওয়ার কাজ চলছে

উপসংহার: রাজ্যের বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং দাবদাহের ভয়াবহতা মাথায় রেখে শিক্ষা দপ্তরের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলেই মনে করছেন অভিভাবক এবং শিক্ষক সমাজ। ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা অগ্রাধিকার দিয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত স্কুল বন্ধই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।