Gautam Adani: বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী, গৌতম আদানি

Published By: Khabar India Online | Published On:

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগাজিন। শুক্রবার প্রকাশিত ফোর্বস রিয়েল টাইম বিলিয়নেয়ার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ইলন মাস্ক।

এর পরেই রয়েছেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি। সম্পদের দিক দিয়ে অ্যামাজন বস জেফ বেজোস এবং লুই ভিটনের বার্নার্ড আর্নল্টকেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছেন ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ অম্বানি। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

 সংবাদমাধ্যম বলছে, অ্যামাজনের মালিক জেফ বেজসকে টপকে ফোর্বসের তালিকায় উপরের দিকে উঠে এসেছেন গৌতম আদানি। বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি হিসাবে এখনও শীর্ষস্থানে রয়েছেন ইলন মাস্ক। আগেই এশিয়ার প্রথম নাগরিক হিসেবে ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছিলেন আদানি।

আরও পড়ুন -  Neelam Giri: ভোজপুরি অভিনেত্রী লাস্যময়ী অবতারে, টকটকে লাল শাড়ি, চোখে চশমা, ভক্তদের পারদ চড়েছে

ফোর্বস রিয়েল টাইম বিলিয়নেয়ারের তালিকায় দেখা যায়,আদানির সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় চার শতাংশ বেড়েছে। আদানির সম্পত্তি বৃদ্ধির পরিমাণ ৩.৪৮ শতাংশ। বর্তমানে আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১৫৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আরও পড়ুন -  জেলা শাসকের কাছে আত্মহত্যার অনুমতি প্রার্থনা করে বসলো ঠিকা স্বাস্থ্য শ্রমিকেরা

ভারতীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১২.৩৭ লাখ কোটি টাকা। সেই হিসেবেই অল্পের জন্য অ্যামাজনের মালিককে পেছনে ফেলেছেন আদানি। এই তালিকায় আদানি টপকে গিয়েছেন লুই ভিটনের কর্ণধার বার্নার্ড আর্নল্টকেও।  আগের তালিকার মতোই এবার শীর্ষস্থানে রয়েছেন টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক। মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুজরাটে ১৯৬২ সালে জন্ম হয় গৌতম আদানি। ব্লুমবার্গের তথ্যানুযায়ী, গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যের ছাত্র ছিলেন গৌতম। পড়াশুনা শেষ করেননি। ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমেই আজ তার অঢেল সম্পদ।

আরও পড়ুন -  Visva-Bharati: দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া অসীম দাসের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, বিশ্বভারতীর চত্বরে উত্তেজনা

আদানি গ্রুপের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী আদানি গ্রুপের অধীনে রয়েছে মোট সাতটি কোম্পানি।

বন্দর ব্যবস্থাপনা, কয়লা উৎপাদন এবং কয়লার ব্যবসা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন, গ্যাস সরবরাহ, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ সরঞ্জাম উৎপাদন, বিমানবন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা, আমদানি রপ্তানি পণ্য পরিবহন, আবাসন, ভোজ্যতেল ও খাদ্যপণ্য এরকম নানাখাতে ব্যবসা রয়েছে।