Journalists Killed: ২০ সাংবাদিক নিহত ইউক্রেন যুদ্ধে

Published By: Khabar India Online | Published On:

 কমপক্ষে ২০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত চলা সংঘাতে বহু সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস অব ইউক্রেন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইউক্রেনে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়ার হামলায় এখন পর্যন্ত ২০ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

 সাংবাদিকদের নাম প্রকাশ করে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এসব সাংবাদিকের মৃত্যু প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিহতদের মধ্যে অনেকেই বিদেশি নাগরিক।

আরও পড়ুন -  Durga Pujo: মজাদার পালং পাকোড়া, পুজোর দিনে

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনে ‘গণহত্যার’ অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে এক অনুষ্ঠানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের আরও বলেন, আমি একে গণহত্যাই বলছি, কারণ এটি আরও স্পষ্ট যে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালিয়ে যেসব হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে, তা মুছে ফেলার চেষ্টা করছেন পুতিন এবং এসব প্রমাণ আরও বাড়ছে।

আরও পড়ুন -  Hot Dance: সাহসী নাচে নজর কাড়লেন ভারতীয় যুবতী, ভাইরাল ভিডিওতে উত্তেজিত নেটিজেনরা

তিনি আরও বলেন, গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে কি না তা আইনজীবীরাই জানাবেন, তবে আমার মনে হয় সেটাই ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কর্মকর্তা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনই একে ‘গণহত্যা’ বলে উল্লেখ করলেন।

আরও পড়ুন -  Tri-Nation T20: টস জিতে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান, ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে

পুতিনের বিরুদ্ধে বাইডেনের ‘গণহত্যার’ অভিযোগ আনার পরপরই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বক্তব্যকে ‘সত্যি কথা’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন জেলেনস্কি।

 বিভিন্ন শহরে একের পর এক গণকবরের সন্ধান পাওয়ার দাবি করছে তারা। গত রবিবার এক হাজার দুশো’র বেশি মরদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ। প্রতীকী ছবি।