গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযানের আওতায় বাড়ী বাড়ী জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার কাজের মাধ্যমে ফেরত আসা শ্রমিকদের জীবন-জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি

Published By: Khabar India Online | Published On:

খবরইন্ডিয়াঅনলাইন, নয়াদিল্লিঃ সমগ্র বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে তখন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সুদক্ষ নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার বিরাট এই চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করতে উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে জীবন-জীবিকার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশের ওপর অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন-জীবিকার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গত ২০ জুন গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযানের সূচনা হয়। সময়সীমা ভিত্তিক ১২৫ দিনের এই অভিযানে ৬টি রাজ্যের ১১৬টি জেলায় বৃহৎ এই কর্মসূচি রূপায়ণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই জেলাগুলির মধ্যে ২৭টি উন্নয়নে আগ্রহী জেলাও রয়েছে।

আরও পড়ুন -  মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশিত, ওয়েবসাইট এ দেখে নিন, Madhyamik Result 2021

গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযানের অঙ্গ হিসেবে জল-জীবন মিশনের আওতায় গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি পরিবারে পাইপ বাহিত জলসংযোগ পৌঁছে দেবার কাজের মাধ্যমে ফেরত আসা দক্ষ ও অর্ধদক্ষ শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হবে। এই প্রেক্ষিতে রাজ্যগুলিকে অবিলম্বে গ্রামে গ্রামে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণের জন্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই অভিযানের আওতায় গ্রামের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের বাড়িতে পাইপ বাহিত জল পৌঁছে দেওয়ার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন -  ব্যাঙ্গালোর-ভিত্তিক গবেষকরা স্বল্প মূল্যের অনুঘটক উদ্ভাবন করেছেন, যার সাহায্যে হাইড্রোজেন উৎপন্ন করা যাবে

জল-জীবন মিশনের আওতায় পাইপ বাহিত জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ওই ৬টি রাজ্যের সঙ্গে মন্ত্রকের প্রথম পর্যালোচনা বৈঠক ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে রাজ্যগুলিকে জেলা এবং গ্রামভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নের পরামর্শ দেওয়া হয়। উন্নয়নে আগ্রহী জেলাগুলিতে বিশেষ অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন -  বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

উচ্চাকাঙ্খী এই অভিযানের ফলে না কেবল গ্রামীণ মানুষের জীবন-যাপনের মানোন্নয়ন হবে, সেইসঙ্গে গ্রামীণ কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে। সূত্র – পিআইবি।