এক মুহূর্তেই বদলে গেল হলিউডের ইতিহাস। বৈচিত্রময় অভিনয় আর বিশ্বজোড়া বক্স অফিস সাফল্যের জোরে নতুন রেকর্ড গড়লেন জো সালদানা। আনুষ্ঠানিকভাবে তিনিই এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী।
তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বজুড়ে বিপুল সাফল্য পাওয়ার পরই এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এর ফলে তার অভিনীত সব ছবির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫.৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগে কোনো অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে হয়নি।
জো সালদানা এমন এক বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, যেখানে তিনি বিশ্বের তিনটি সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘অ্যাভাটার’, ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ এবং ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’—এই তিনটি ছবিই সিনেমা ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে আছে। এছাড়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’-সহ চারটি ছবিতে তিনি দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করা প্রথম নারী অভিনেত্রী।
অ্যাভাটারের নাভি যোদ্ধা নেইতিরি কিংবা মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের গামোরা—প্রতিটি চরিত্রেই তিনি দর্শকের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। ‘স্টার ট্রেক’ সিরিজেও তার উপস্থিতি বক্স অফিসে বড় অবদান রেখেছে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জো সালদানা কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এই অর্জন তার একার নয়। পরিচালক, সহশিল্পী এবং ভক্তদের ভালোবাসাই তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। তিনি ভবিষ্যতেও নারীদের এমন রেকর্ড ভাঙার অনুপ্রেরণা জোগাতে চান।
আগামী দিনে ‘অ্যাভাটার ৪’ ও ‘অ্যাভাটার ৫’-এ তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বক্স অফিসে জো সালদানার সাফল্যের যাত্রা যে আরও দীর্ঘ হবে, তা বলাই যায়।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: জো সালদানা কেন ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী হলেন?
উত্তর: তার অভিনীত ছবিগুলোর সম্মিলিত আয় ১৫.৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
প্রশ্ন ২: কোন ছবিগুলো তার এই রেকর্ডে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে?
উত্তর: অ্যাভাটার সিরিজ ও অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজ।
প্রশ্ন ৩: তিনি কি প্রথম নারী যিনি চারটি দুই বিলিয়ন ডলারের ছবি করেছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, এই কৃতিত্ব একমাত্র তারই।
প্রশ্ন ৪: ভবিষ্যতে কি তিনি আবার অ্যাভাটারে ফিরবেন?
উত্তর: সম্ভাব্যভাবে অ্যাভাটার ৪ ও ৫-এ তাকে দেখা যেতে পারে।
প্রশ্ন ৫: এই সাফল্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এটি হলিউডে নারীদের শক্ত অবস্থান ও সম্ভাবনাকে আরও স্পষ্ট করে।

