জায়ান্ট কিলার জিম্বাবুয়ে—এই নামটাই এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন আলোচনার কেন্দ্র। দুই বছর আগেও যারা মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি, সেই দলই এবার অপরাজিত থেকে সুপার এইটে। এবার সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
কলম্বোর ধীর পিচে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছিলেন ব্লেসিং মুজারাবানি। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে আত্মবিশ্বাসের আরেকটি বড় বার্তা দেয় জিম্বাবুয়ে। দুই ম্যাচেই ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন ব্রায়ান বেনেট, সঙ্গে সিকান্দার রাজার কার্যকর ক্যামিও। বোলিংয়েও ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্স।
এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দলগত পারফরম্যান্স। তবে এবার চ্যালেঞ্জ ভিন্ন। শ্রীলঙ্কার উইকেট থেকে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মানিয়ে নেওয়া সহজ হবে না। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইতিমধ্যেই এই মাঠে দুটি ম্যাচ খেলে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে।
দুই দল টি-টোয়েন্টিতে চারবার মুখোমুখি হয়েছে। বিশ্বকাপে একবারের লড়াইয়ে ২০২২ সালে জয় পেয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। কোচ ড্যারেন স্যামি অবশ্য জিম্বাবুয়েকে হালকাভাবে নিতে নারাজ। তাঁর মতে, বিশ্বকাপে প্রতিটি দলই সম্মানের দাবিদার।
গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থাকা দুই দলই এখন সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখছে। র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানে, আত্মবিশ্বাসী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ মোটেও সহজ হবে না। অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার পর যদি উইন্ডিজও ‘জায়ান্ট কিলার’দের শিকার হয়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

