হঠাৎ করেই বিশ্বজুড়ে থমকে গেল YouTube Outage 2026— কয়েক ঘণ্টার এই অস্বস্তি লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীকে ফেলেছিল চরম বিভ্রান্তিতে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকেই বিভিন্ন দেশ থেকে অভিযোগ আসতে শুরু করে। কেউ ভিডিও প্লে করতে পারছিলেন না, কারও হোমপেজে কোনো রেকমেন্ডেড কনটেন্ট দেখা যাচ্ছিল না। অনেক ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে অ্যাপই ঠিকভাবে লোড হচ্ছিল না।
আউটেজ পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্মে যুক্তরাষ্ট্রে একসময় ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়ে। তবে এই সংখ্যা ব্যবহারকারীদের স্বতঃপ্রণোদিত রিপোর্টের ওপর নির্ভরশীল। ফলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা আরও বেশি বা কম হতে পারে।
পরে ইউটিউব এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের “recommendation system”-এ একটি কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এই সমস্যার কারণে হোমপেজ, সার্চ এবং ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন ঘটে।
প্রযুক্তি টিম দ্রুত বিষয়টি শনাক্ত করে সমাধান করে বলে জানানো হয়। বর্তমানে ইউটিউব ডটকম, মোবাইল অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, ইউটিউব কিডস এবং টিভি প্ল্যাটফর্ম—সব সেবাই স্বাভাবিক রয়েছে।
শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ভারত, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও মেক্সিকোর ব্যবহারকারীরাও একই ধরনের সমস্যার কথা জানান। বিভিন্ন দেশে অভিযোগের হার দ্রুত বাড়লেও কিছু সময় পর তা কমতে শুরু করে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের সাময়িক বিভ্রাট নতুন কিছু নয়। তবে স্বল্প সময়ের জন্যও সেবা বন্ধ থাকলে ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি বিজ্ঞাপননির্ভর ব্যবসাতেও প্রভাব পড়ে।

