ইরানের বড় হামলা ব্যর্থ? ১৪৩ ড্রোন-মিসাইল ধ্বংসের দাবি ইউএই’র

Published By: Khabar India Online | Published On:

ইরানের ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের দিক থেকে ছোড়া অন্তত ১৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১৯টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ১৪৩টি আকাশযান প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমিরাতের সামরিক বাহিনী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রথমে ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে। এর মধ্যে ১৫টি সফলভাবে ধ্বংস করা হয় এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র সাগরে গিয়ে পড়ে।

এদিকে একই সময়ে ১২১টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে ১১৯টি ড্রোন আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বাকি দুটি ড্রোন আমিরাতের ভূখণ্ডে আছড়ে পড়ে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ৩০ কোটি ডলারের রাডার ব্যবস্থা ইরানের হামলায় ধ্বংস হয়েছে

স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে সিএনএন জানিয়েছে, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাকা থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত একটি রাডার ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে। পরে মার্কিন কর্মকর্তারাও এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে আঞ্চলিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার সক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামেও এই ব্যবস্থা মোতায়েন আছে বলে জানা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।