তপসিয়ায় ভয়াবহ আগুন, সোফা কারখানায় দাউদাউ করে জ্বলল আগুন

Published By: Khabar India Online | Published On:

ফের আগুনের লেলিহান শিখা, আর তাতেই আতঙ্ক ছড়াল শহরজুড়ে। বড়বাজার ও বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের পর এ বার তপসিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঞ্চল্য। শুক্রবার দুপুরে তপসিয়া রোডের একটি সোফা কারখানায় আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকলের অন্তত ১১টি ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, পাঁচিল ভেঙে দমকলকর্মীদের আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে হয়। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুর ৩টা ১০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার খবর আসে।

স্থানীয়দের দাবি, কারখানার ভিতরে প্রচুর দাহ্য সামগ্রী ও তৈরি আসবাব মজুত ছিল। সোফা তৈরির কারখানা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় কারখানায় কর্মীরা কাজ করছিলেন। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং যতটা সম্ভব আসবাব সরানোর চেষ্টা করা হয়।

দমকলের মতে, এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন পাশের একটি গ্যারাজেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করেছে। যদিও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পরই অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে দমকল বিভাগ।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত কয়েক দিনের মধ্যে Kolkata শহরে একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বড়বাজারের বনফিল্ড লেনে একটি রাসায়নিক গুদামে আগুন লাগে। তার আগের দিন বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের একটি আসবাবের দোকানেও আগুন লাগে। ধারাবাহিক এই ঘটনাগুলি শহরের অগ্নি-নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

 প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: তপসিয়ায় কোথায় আগুন লেগেছে?
উত্তর: তপসিয়া রোডের একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লেগেছে।

প্রশ্ন ২: কয়টি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়?
উত্তর: আগুন নেভাতে অন্তত ১১টি দমকলের ইঞ্জিন পাঠানো হয়।

প্রশ্ন ৩: এই ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি?
উত্তর: এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্রশ্ন ৪: আগুন দ্রুত ছড়ানোর কারণ কী?
উত্তর: কারখানায় প্রচুর দাহ্য সামগ্রী ও আসবাব মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়ায়।

প্রশ্ন ৫: আগুন লাগার কারণ জানা গিয়েছে কি?
উত্তর: না, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ত করে কারণ জানা যাবে।