এসআইআর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ঘিরে জট আরও বাড়ছিল—ঠিক তখনই বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে প্রয়োজনে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারবিভাগীয় অফিসার নিয়োগ করতে হবে। আদালতের মতে, কাজের গতি বাড়াতে এই পদক্ষেপ জরুরি।
এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ে। সেই রিপোর্টে জানানো হয়, নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির জন্য ইতিমধ্যে ২৫০ জন বিচারবিভাগীয় অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। তবুও সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ৮০ দিন সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, প্রয়োজনে পাশের দুই রাজ্য—ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড—থেকে বিচারবিভাগীয় অফিসার এনে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে।
এর পাশাপাশি আদালত আগেই জানিয়েছিল, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এদিনও প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সেই তারিখ অপরিবর্তিত থাকবে বলে স্পষ্ট করে দেয়।
তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নিষ্পত্তির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সেই সংশোধিত তালিকাগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার অংশ হিসেবে যুক্ত হবে।
আদালত আরও জানায়, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যাঁরা সমস্যায় পড়া নথি জমা দিয়েছেন, সেগুলি বিবেচনার জন্য গ্রহণযোগ্য বলে ধরা হবে।
এসআইআর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ইতিমধ্যেই তৎপরতা বেড়েছে। এখন নজর ২৮ ফেব্রুয়ারির দিকে।

