নাক ডাকা কমানোর সহজ অভ্যাস, ভালো ঘুমের চাবিকাঠি

Published By: Khabar India Online | Published On:

রাতে ঘুম ভাঙছে নিজের বা সঙ্গীর নাক ডাকার শব্দে? অনেকেই এটাকে তুচ্ছ সমস্যা ভাবলেও বাস্তবে এটি শরীরের ভেতরের বড় কোনো সংকেত হতে পারে। নাক ডাকার সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ঘুমের মান নষ্ট হয়, শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয় এবং ধীরে ধীরে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের ওপর চাপ বাড়ে।

নাক ডাকা মূলত তখনই হয়, যখন ঘুমের সময় নাক ও গলার ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচলের পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে নরম টিস্যুগুলো কেঁপে ওঠে এবং শব্দ তৈরি হয়। নাক বন্ধ থাকা, টনসিল ফোলা, জিহ্বা অতিরিক্ত ঢিলে হয়ে যাওয়া কিংবা ঘাড়ের আশপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমে শ্বাসনালী সংকুচিত হলে সমস্যা আরও বাড়ে। দীর্ঘদিন সমাধান না হলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ঝুঁকির লক্ষণ চিনুন
নাক ডাকার সঙ্গে যদি দম বন্ধ হওয়ার অনুভূতি, শ্বাস থেমে যাওয়া বা সকালবেলা মাথাব্যথা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
ঘাড় ও শ্বাসনালীর চারপাশে অতিরিক্ত ওজন জমলে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে। সামান্য ওজন কমালেই অনেক ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা কমে যায়।

ঘুমের ভঙ্গি বদলান
চিৎ হয়ে ঘুমালে জিহ্বা পেছনে ঢলে পড়ে শ্বাসনালী বন্ধ করতে পারে। পাশ ফিরে ঘুমানোর অভ্যাস শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

নিয়মিত ঘুমের রুটিন গড়ুন
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে গেলে গলার পেশির স্বাভাবিক স্বর বজায় থাকে। অনিয়মিত ঘুম নাক ডাকার ঝুঁকি বাড়ায়।

নাক বন্ধ ও অ্যালার্জির চিকিৎসা করুন
নাক বন্ধ থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয়, যা নাক ডাকার অন্যতম কারণ। অ্যালার্জি ও সাইনাসের সমস্যা ঠিক করা জরুরি।