হঠাৎ আয়নায় তাকিয়ে কি ত্বকের ক্লান্তি চোখে পড়ছে? বলিরেখা, নিস্তেজ ভাব কিংবা ডার্ক সার্কেল—এই সবই শরীরের ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ট্রেস, জলশূন্যতা এবং পুষ্টির অভাব থেকেই ত্বকে বয়সের ছাপ দ্রুত পড়ে।
সঠিক খাবার ও পানীয় ত্বকের জন্য ভেতর থেকে কাজ করে। কিছু সহজ প্রাকৃতিক উপাদান মিলিয়ে তৈরি পানীয় নিয়মিত খেলে কোলাজেন বজায় থাকে, ত্বক হয় দৃঢ় এবং উজ্জ্বল। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমনই চারটি কার্যকর পানীয়ের কথা।
ডালিম-পুদিনা পানীয়
ডালিমে থাকা পলিফেনল ও ভিটামিন সি ত্বকের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। পুদিনা হজমে সাহায্য করে এবং শরীর ঠান্ডা রাখে। এই পানীয় অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়ক।
হলুদ-আদা পানীয়
হলুদের কারকিউমিন এবং আদার জিঞ্জেরোল প্রদাহ কমাতে পরিচিত। এতে সামান্য গোল মরিচ যোগ করলে উপকার আরও বাড়ে। এই পানীয় রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, যা অকাল বার্ধক্য রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
গাজর-কমলার রস
গাজরের বিটা-ক্যারোটিন ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, আর কমলার ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। এই মিশ্রণ ত্বক মেরামত ও উজ্জ্বল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর।
অ্যালোভেরা-শসার পানীয়
অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও ই। শসা শরীরকে হাইড্রেট করে এবং ত্বকের ফোলাভাব কমায়। এই পানীয় ত্বককে ভিতর থেকে শান্ত ও সতেজ করে তোলে।
প্রশ্ন ও উত্তর
১. এই পানীয়গুলো কি প্রতিদিন খাওয়া যায়?
হ্যাঁ, পরিমিত পরিমাণে প্রতিদিন খাওয়া নিরাপদ।
২. কত দিনে ত্বকে পরিবর্তন দেখা যায়?
নিয়মিত খেলে ২–৩ সপ্তাহের মধ্যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়তে পারে।
৩. খালি পেটে কোন পানীয়টি ভালো?
হলুদ-আদা বা অ্যালোভেরা-শসা পানীয় খালি পেটে উপকারী।
৪. ত্বকের সব ধরনের জন্য কি এগুলো কার্যকর?
বেশিরভাগ ত্বকের জন্য উপযোগী, তবে অ্যালার্জি থাকলে সতর্কতা জরুরি।
৫. শুধু পানীয় খেলেই কি বয়সের ছাপ কমবে?
না, স্বাস্থ্যকর ডায়েট ও পর্যাপ্ত ঘুমও সমান প্রয়োজন।

