SIR প্রক্রিয়ায় কড়া বার্তা নির্বাচন কমিশনের, BLO-দের সতর্কতা

Published By: Khabar India Online | Published On:

নিয়ম মানতেই হবে—নইলে কড়া ব্যবস্থা। SIR প্রক্রিয়া ঘিরে এমনই স্পষ্ট বার্তা দিল Election Commission of India। সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ বাড়তেই কঠোর অবস্থান নিল কমিশন। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট বিএলও ও তাঁদের সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষকে শুনানিকেন্দ্রে ডাকা যাবে না। ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক, গুরুতর অসুস্থ, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের বাড়িতে গিয়েই শুনানি সম্পন্ন করতে হবে। শেষ সপ্তাহে এই বাড়ি বাড়ি যাচাই প্রক্রিয়া চলবে।

তবে ৮৫ বছরের কম বয়সী সাধারণ ভোটারদের নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে শুনানিতে অংশ নিতে হবে। প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে বয়সের প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে মান্য করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের চা-বাগান শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নথির অভাব থাকলেও ‘টি প্ল্যান্টেশন লেবার অ্যাক্ট’ অনুযায়ী মজুরি বা পিএফ নথি যাচাই করেই তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

মূল লক্ষ্য একটাই—কোনও প্রকৃত ভোটার যেন অসুস্থতা বা নথির অভাবে তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।

প্রশ্ন ও উত্তর  


১. SIR প্রক্রিয়ায় কারা বাড়িতে শুনানির সুবিধা পাবেন?
৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক, গুরুতর অসুস্থ, অন্তঃসত্ত্বা ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটাররা।

২. সাধারণ ভোটারদের কী করতে হবে?
৮৫ বছরের কম বয়সীদের নির্ধারিত শুনানিকেন্দ্রে যেতে হবে।

৩. নিয়ম না মানলে কী হবে?
বিএলও ও সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৪. বয়সের প্রমাণ হিসেবে কোন নথি গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি করার প্রস্তাব রয়েছে।

৫. চা-বাগান শ্রমিকদের ক্ষেত্রে কী ছাড় দেওয়া হয়েছে?
মজুরি বা পিএফ নথি যাচাই করেই নাম তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ।