এসআইআর বিতর্কে বড় নির্দেশ! তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Published By: Khabar India Online | Published On:

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কে বড় মোড়। তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়ে যেসব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, সেই তালিকা প্রকাশ্যে টাঙাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এমনই স্পষ্ট নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশে এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

আদালত জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস ও ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ্যে রাখতে হবে। প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার খুলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নথি গ্রহণ করতে হবে। নথি জমা নিলে ভোটারকে রসিদ দেওয়াও বাধ্যতামূলক।

এর পাশাপাশি শুনানির সময় রাজনৈতিক দলের বুথ স্তরের এজেন্টদের উপস্থিত থাকার দাবিও মেনে নিয়েছে আদালত। স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে নথি গ্রহণের প্রাপ্তিস্বীকার করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট কর্মী দিতে হবে। ভোটার চাইলে প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দিতে পারবেন, তবে তার জন্য অনুমতিপত্র থাকা বাধ্যতামূলক।

এই রায়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় এক কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার যে আশঙ্কা ছিল, তা অনেকটাই কাটল। রাজনৈতিক মহলে এই নির্দেশকে এসআইআর বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রশ্ন ও উত্তর  


Q1. এসআইআর কী?
A1. এসআইআর হল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া।

Q2. সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দিয়েছে?
A2. তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ্যে টাঙাতে ও স্বচ্ছ শুনানির ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছে।

Q3. ভোটাররা কোথায় আপত্তি জানাতে পারবেন?
A3. ব্লক অফিস, পঞ্চায়েত ও ওয়ার্ড অফিসে নির্দিষ্ট কাউন্টারে।

Q4. প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দেওয়া যাবে কি?
A4. হ্যাঁ, অনুমতিপত্র থাকলে প্রতিনিধি নথি জমা দিতে পারবেন।

Q5. এই নির্দেশের প্রভাব কী হবে?
A5. এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।