সারেগামাপার সেটে ধুমধাম করে আদির জন্মদিন, ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট জোজোর

Published By: Khabar India Online | Published On:

হাসি, খুশি আর ভালোবাসায় ভরা এক বিশেষ দিনে জমে উঠেছিল সারেগামাপার সেট। জোজো মুখোপাধ্যায় ছেলে আদির  জন্মদিন উদ্‌যাপন করতে গিয়ে যেন পরিবারের মতোই মেতে উঠেছিলেন শো-র বিচারক ও প্রতিযোগীরা।

২০১৯ সালে ছোট্ট আদিকে দত্তক নিয়েছিলেন গায়িকা জোজো। সেই থেকেই মা–ছেলের অটুট সম্পর্কের গল্প প্রায়ই ধরা পড়ে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে। এবার ছয় বছরে পা দেওয়া খুদেকে নিয়ে আরও একবার আলোচনায় এলেন গায়িকা।

ফেসবুকে শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, লাল জামা-প্যান্টে সাজানো আদি কেক কাটছে সবার সামনে। কেক কাটার পর জোজো নিজে হাতে ছেলেকে প্রথম টুকরো খাইয়ে দেন। পাশে ছিলেন সারেগামাপার অন্যান্য বিচারক থেকে শুরু করে প্রতিযোগীরাও। ইমন চক্রবর্তী আদীকে কেক খাইয়ে স্নেহে ভরিয়ে দেন। সবাই মিলে একসঙ্গে গেয়ে ওঠে— “হ্যাপি বার্থডে আদি”

ছবিগুলো পোস্ট করে আবেগে ভেসে যান জোজো। লেখেন, সারেগামাপা টিম আদীর জন্মদিনকে যেভাবে বিশেষ করে তুলেছে তার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আরও জানান, এত গুণী মানুষের আশীর্বাদে তাঁর ছেলে বড় হচ্ছে—এটাই তাঁর কাছে ঈশ্বরের কৃপা।

রূপম ইসলাম, শ্রীরাধা, শুভমিতা, ইমন, রূপঙ্কর, কৌশিকীসহ সকল বিচারকদের ধন্যবাদ জানান তিনি। এমনকি ইমনও ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে আদীর জন্মদিনের ভিডিও শেয়ার করে আদর ভরা বার্তা দেন— “ইমন মাসি তোমাকে ভালবাসে, অনেক বড় হও আদি”

অন্যদিকে, ব্যক্তিগত জীবনে কিছুদিন আগেই শাশুড়িকে হারিয়েছেন জোজো। স্বামী ও মেয়ে কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন বলে বেশিরভাগ সময়ই ছেলে আদি আর কাজ নিয়েই কাটে গায়িকার। মহামারীর সময় দত্তক নেওয়া আদিকে বুকে আগলে রেখে নিজের মতো করে মানুষ করছেন তিনি। গায়িকার মেয়ে বাজোও আদিকে দ্বিতীয় মা-র মতো ভালোবাসে।

শেষ পর্যন্ত, ছেলের জন্মদিনের উদ্‌যাপন যেন নতুন করে হাসি এনে দিল জোজোর জীবনে।

  1.  আদিকে কবে দত্তক নেন জোজো মুখোপাধ্যায়?
    → ২০১৯ সালে দত্তক নেন।

  2. এবার আদির  কততম জন্মদিন উদ্‌যাপন হল?
    → সে ৬ বছরে পা দিল।

  3. জন্মদিন কোথায় উদ্‌যাপন করা হয়?
    → সারেগামাপার সেটে।

  4. কোন কোন বিচারক আদীর জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন?
    → রূপম ইসলাম, শুভমিতা, ইমন চক্রবর্তীসহ আরও অনেকে।

  5. মেয়ে বাজোর সঙ্গে আদির সম্পর্ক কেমন?
    → বাজো আদিকে নিজের ভাইয়ের মতো ভালোবাসে, জোজোর কথায় সে আদীর ‘দ্বিতীয় মা’।