ভোরের অন্ধকারে লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে নেমে এলো নতুন ঝড়। ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রাশিয়া এই অভিযানের কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের কোনো গ্রহণযোগ্য যুক্তি নেই। মস্কোর মতে, এখানে কূটনৈতিক বাস্তবতার চেয়ে আদর্শগত শত্রুতাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসন চালিয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ব্যবহারিক কূটনীতির পরিবর্তে রাজনৈতিক বিরোধই এই হামলার মূল কারণ।
এর আগে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট **নিকোলাস মাদুরো**কে সশস্ত্রভাবে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই দাবিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেস যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, আটক প্রেসিডেন্টের ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ প্রকাশ করার জন্য। এই আহ্বান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়ে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলা সংকট ঘিরে বড় শক্তিগুলোর অবস্থান ভবিষ্যতে বৈশ্বিক কূটনীতিতে আরও প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রশ্ন ও উত্তর
১. রাশিয়া কেন মার্কিন অভিযানের নিন্দা করেছে?
রাশিয়ার মতে, এই হামলার কোনো বৈধ বা গ্রহণযোগ্য যুক্তি নেই এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।
২. যুক্তরাষ্ট্র কী দাবি করেছে?
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, অভিযানের পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আটক করা হয়েছে।
৩. ভেনেজুয়েলার প্রতিক্রিয়া কী?
ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রেসিডেন্টের জীবিত থাকার প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।
৪. এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রভাব কী হতে পারে?
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বড় শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।
৫. কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আছে কি?
বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধান কঠিন হলেও আলোচনা এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

