প্রতিদিন চোখে পড়ে এমন একটি ছোট অভ্যাসের পেছনেও যে বড় কারণ লুকিয়ে থাকে, তা অনেকেই জানেন না। ঘড়ি পরার সময় কেন অধিকাংশ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বাম হাত বেছে নেন— এই প্রশ্নের উত্তর জানলে বিষয়টি একেবারেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
এক সময় ঘড়ি ছিল সময় জানার একমাত্র ভরসা, আজ তা অনেকের কাছে ফ্যাশন ও আভিজাত্যের প্রতীক। তবু অভ্যাস বদলায়নি। কারণ এর পেছনে রয়েছে ব্যবহারিক সুবিধা ও নিরাপত্তার যুক্তি। অধিকাংশ মানুষ ডানহাতি। ফলে ডান হাতই থাকে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। এই হাতে ঘড়ি পরলে কাজের সময় বারবার বাধা তৈরি হয়, কবজি ঘোরানো কঠিন হয় এবং ঘড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বাম হাত তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহৃত হয়। তাই সেখানে ঘড়ি পরলে দৈনন্দিন কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকে। পাশাপাশি অধিকাংশ ঘড়ির কাঁটা বা ক্রাউন ডান দিকে থাকে, যা বাম হাতে পরলে সহজেই অ্যাক্সেস করা যায়। সময় বা তারিখ পরিবর্তনের জন্য ঘড়ি খুলতে হয় না।
কাজের মাঝেও বাম হাতে থাকা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে সহজেই সময় দেখা যায়। ডান হাতে হাতুড়ি, কাঁচি বা মাউস ব্যবহারের সময় ঘড়ি থাকলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কার্যকারিতা বিবেচনায় বাম হাতে ঘড়ি পরাই সবচেয়ে যুক্তিসংগত।
বামহাতিদের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যায়। তারা সাধারণত ডান হাতে ঘড়ি পরেন। এই কারণেই অনেক ব্র্যান্ড বিশেষভাবে ‘বামহাতি মডেল’ ঘড়িও তৈরি করে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ফ্যাশনের বাইরে গিয়ে সুবিধা ও সুরক্ষাই বাম হাতে ঘড়ি পরার মূল কারণ।
প্রশ্ন 1: কেন অধিকাংশ মানুষ বাম হাতে ঘড়ি পরেন?
উত্তর: কারণ ডান হাত বেশি ব্যবহৃত হয়, ফলে বাম হাতে ঘড়ি পরলে কাজ করতে সুবিধা হয়।
প্রশ্ন 2: ডান হাতে ঘড়ি পরলে কী সমস্যা হয়?
উত্তর: কাজের সময় ঘড়ি বাধা সৃষ্টি করে এবং ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
প্রশ্ন 3: বাম হাতে ঘড়ি পরা কি বাধ্যতামূলক?
উত্তর: না, এটি ব্যক্তিগত পছন্দ; তবে অধিকাংশের জন্য বাম হাত বেশি সুবিধাজনক।
প্রশ্ন 4: বামহাতিরা কোন হাতে ঘড়ি পরেন?
উত্তর: বেশিরভাগ বামহাতি ডান হাতে ঘড়ি পরেন।
প্রশ্ন 5: ঘড়ির কাঁটা কেন ডান দিকে থাকে?
উত্তর: বাম হাতে ঘড়ি পরলে ডান দিকের কাঁটা সহজে ব্যবহার করা যায়।

