রায়দিঘিতে Extramarital Affair Murder ঘিরে এক রক্তাক্ত রহস্যে শিউরে উঠল গোটা এলাকা। রাতের অন্ধকারে কীভাবে ঘটে গেল এমন নৃশংস ঘটনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির মেনা এলাকায় এক ব্যক্তির গলাকাটা দেহ উদ্ধার হওয়ার পরেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম কিশোর দাস। অভিযোগ উঠেছে, তার স্ত্রী অনিমা দাস এবং প্রতিবেশী গোবিন্দ হালদারের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক ছিল।

স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সম্পর্কের জেরেই স্বামীকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। অভিযোগ, ঘটনার রাতে কিশোর দাসকে ফোন করে বাড়ির বাইরে ডাকা হয়। এরপরই ঘটে যায় মর্মান্তিক খুন।
এলাকাবাসীরা পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্ত্রী ও তার প্রেমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পেছনে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত স্ত্রী পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় রায়দিঘি জুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীরা দ্রুত কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

