গর্ভধারণের আগে জানতেই হবে এই ৫ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

Published By: Khabar India Online | Published On:

মা–বাবা হওয়ার সিদ্ধান্ত জীবনের অন্যতম বড় ও সংবেদনশীল এক অধ্যায়। কিন্তু হঠাৎ করেই গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলেই সবকিছু সহজ হয়ে যায় না। শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগে থেকেই জানা থাকলে ভবিষ্যতের অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব। গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে যে ৫টি বিষয় জানা জরুরি, সেগুলিই তুলে ধরা হলো এখানে।

১. ডিম্বাশয়ের রিজার্ভ সম্পর্কে ধারণা
ডিম্বাশয়ে কতগুলো সুস্থ ডিম্বাণু অবশিষ্ট রয়েছে, সেটাকেই ডিম্বাশয়ের রিজার্ভ বলা হয়। AMH পরীক্ষা ও আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে এটি জানা যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রিজার্ভ কমতে থাকে, বিশেষ করে ৩০-এর পর থেকে। আগেভাগে জানা থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

২. নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন হচ্ছে কি না
নিয়মিত মাসিক চক্র সাধারণত নিয়মিত ডিম্বস্ফোটনের ইঙ্গিত দেয়। তবে অনিয়মিত বা দীর্ঘ চক্র হলে PCOS বা থাইরয়েডের মতো সমস্যার সম্ভাবনা থাকে। ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা নারীদের বন্ধ্যাত্বের অন্যতম বড় কারণ।

৩. শুক্রাণুর স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ
গর্ভধারণ শুধু নারীর ওপর নির্ভরশীল নয়। পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি ও গঠন—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। বীর্য পরীক্ষা সহজ ও কম খরচে করা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার মূল কারণ এখানেই লুকিয়ে থাকে।

৪. ফ্যালোপিয়ান টিউব ও জরায়ুর অবস্থা
ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন এবং ভ্রূণের সঠিকভাবে বসার জন্য টিউব ও জরায়ু সুস্থ থাকা প্রয়োজন। টিউব ব্লক, ফাইব্রয়েড বা পলিপ থাকলে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে।

৫. বয়সজনিত জেনেটিক ঝুঁকি
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর জেনেটিক গুণমানেও প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে ৩৫ বছরের পর ক্রোমোজোমজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে, যা গর্ভধারণ ও সন্তানের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।