বয়স কেবল একটি সংখ্যা—এই কথাটিই যেন আবার মনে করিয়ে দিলেন পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ। বর্তমান দলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে সম্প্রতি খোলাখুলি কথা বলেছেন কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।
৪০ বছর বয়সে সৌদি প্রো লিগে খেললেও রোনালদোর ক্ষুধা কমেনি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৯৫০-এর বেশি গোল করা এই তারকা ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে পর্তুগালকে নেতৃত্ব দেবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে। রোনালদো নিজেও জানিয়েছেন, এটাই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ।
২০০৩ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকেই রোনালদো হয়ে উঠেছেন দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সহায়তায় গত জুনে পর্তুগাল দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা নেশন্স লিগ শিরোপা জেতে, যা তাদের এই প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দলে পরিণত করেছে।
মার্টিনেজের মতে, বয়সের কারণে রোনালদোর খেলায় কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন তিনি মূলত একজন পজিশনাল স্ট্রাইকার এবং দলের প্রধান ফিনিশার। ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোচ বলেন, রোনালদো এখন আগের মতো উইং থেকে দৌড়ানো খেলোয়াড় নন, বরং সুযোগ কাজে লাগানো একজন মারকুটে ফরোয়ার্ড।
তিনি আরও যোগ করেন, অভিজ্ঞতা ও প্রতিশ্রুতির জায়গায় রোনালদো অনন্য। ২২০টির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই তারকা ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের অনুপ্রেরণা জোগান। মাঠে তিনি ডিফেন্ডারদের নিজের দিকে টেনে জায়গা তৈরি করেন, যা দলের আক্রমণকে আরও কার্যকর করে তোলে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: রোনালদো কি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনিই পর্তুগালের নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ২: এটি কি রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ?
উত্তর: রোনালদো নিজেই জানিয়েছেন, এটিই তার শেষ বিশ্বকাপ।
প্রশ্ন ৩: বর্তমানে রোনালদোর মূল ভূমিকা কী?
উত্তর: তিনি এখন একজন পজিশনাল স্ট্রাইকার ও ফিনিশার।
প্রশ্ন ৪: কোচ মার্টিনেজ কেন রোনালদোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন?
উত্তর: গোল করার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার জন্য।
প্রশ্ন ৫: রোনালদোর অভিজ্ঞতা দলে কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: তিনি ড্রেসিংরুমে ও মাঠে সতীর্থদের অনুপ্রেরণা দেন।

