হঠাৎ বদলে যাওয়া জীবনের পথে কখনও কখনও অপেক্ষা করে থাকে বড় সাফল্য— ঠিক তেমনই এক মুহূর্তের সাক্ষী হলেন মোনালিসা। শোবিজের পরিচিত মুখ থেকে ভিন্ন এক জগতে পা রেখে দীর্ঘ ১২ বছরের নিরলস পরিশ্রমের পর এবার মিলল কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি।
একসময় নাটক, বিজ্ঞাপন ও মডেলিংয়ে নিয়মিত দেখা যেত মোনালিসাকে। তবে বহু আগেই ক্যামেরার আলো ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে তোলেন নিজের নতুন ক্যারিয়ার। সেখানে আন্তর্জাতিক একটি প্রসাধনসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন জ্যেষ্ঠ রূপসজ্জাশিল্পী হিসেবে কাজ করেন তিনি।
সম্প্রতি নতুন একটি প্রসাধনী বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়ে ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোনালিসা। গত শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে তার পেশাগত জীবনের একেবারে নতুন অধ্যায়। এই অর্জনকে তিনি দেখছেন নিজের ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করে মোনালিসা জানান, নতুন দায়িত্ব তাকে আনন্দিত করার পাশাপাশি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে। তার মতে, অভিনয় ও মডেলিং ছিল ভালোবাসা, কিন্তু মেকআপই ছিল তার প্রকৃত প্যাশন, যা তাকে আজ এই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে।
যদিও তিনি এখন শোবিজ থেকে অনেকটাই দূরে, তবে অভিনয়কে পুরোপুরি বিদায় জানাননি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ট্র্যাপড’, যার টিজার ইতোমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছে। জীবনের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে মোনালিসা যেন নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করছেন।
১. মোনালিসা বর্তমানে কী পদে কাজ করছেন?
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রসাধনী বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
২. কত বছর ধরে তিনি এই পেশায় যুক্ত?
প্রায় ১২ বছর ধরে রূপসজ্জাশিল্পী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
৩. শোবিজ কি তিনি পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছেন?
না, পুরোপুরি নয়। একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
৪. কোন পেশাকে তিনি নিজের প্রকৃত প্যাশন মনে করেন?
মেকআপ ও রূপসজ্জাকেই তিনি নিজের আসল প্যাশন বলে মনে করেন।
৫. তিনি কবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান?
২০১২ সালের জুনে বিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

