ঝলমলে আলো, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আর গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে থাকে অনেক না-বলা গল্প। ঠিক তেমনই এক অভিজ্ঞতার কথা সম্প্রতি প্রকাশ্যে আনলেন Mira Rajput।
২০১৫ সালে বলিউড তারকা Shahid Kapoor-এর সঙ্গে বিয়ের পর দিল্লির সাধারণ জীবন ছেড়ে মুম্বাইয়ের একেবারে ভিন্ন জগতে পা রাখেন মীরা। তার কাছে এই নতুন পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ অচেনা। সাক্ষাৎকারে মীরা জানান, বিয়ের পরের প্রথম দিকটা তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটি ছিল।
মুম্বাইয়ে এসে তিনি গভীর একাকীত্বে ভুগছিলেন। বাইরে থেকে সবকিছু স্বপ্নের মতো মনে হলেও, বাস্তবে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা তাকে গ্রাস করেছিল। মীরার কথায়, নতুন জীবনে তিনি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন, যা অনেকের চোখে ভুলভাবে ধরা পড়েছিল।
তিনি বলেন, অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি অহংকারী বা নাকউঁচু, কিন্তু সত্যি কথা হলো—নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ আর নতুন দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তার সময় লেগেছিল। সেই সময় তার সমবয়সী বন্ধুরা যখন পড়াশোনা, ক্যারিয়ার বা বিদেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনায় ব্যস্ত, তখন তিনি ঘর-সংসার সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এই ব্যবধান তাকে মানসিকভাবে দুর্বল করে তুলেছিল।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে গুছিয়ে নেন মীরা। এখন তিনি একজন সফল সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও উদ্যোক্তা। ব্যক্তিগত সংগ্রামকে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি আজ বহু নারীর অনুপ্রেরণা। শাহিদ-মীরার ১১ বছরের দাম্পত্য জীবন এখন বলিউডের অন্যতম স্থিতিশীল সম্পর্কের উদাহরণ।
প্রশ্ন ও উত্তর
১. মীরা রাজপুত কেন একাকীত্বে ভুগছিলেন?
নতুন শহর, নতুন জীবনধারা ও দায়িত্বের কারণে মানসিক চাপ অনুভব করেছিলেন।
২. বিয়ের সময় মীরার বয়স কত ছিল?
বিয়ের সময় মীরা ছিলেন বেশ অল্প বয়সী এবং বলিউডের জীবন তার কাছে নতুন ছিল।
৩. মানুষ কেন মীরাকে অহংকারী ভাবত?
তিনি নিজেকে গুটিয়ে রাখতেন, যা অনেকেই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।
৪. এখন মীরা কীভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন?
তিনি একজন সফল সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও উদ্যোক্তা।
৫. শাহিদ-মীরার দাম্পত্য কেন আলোচনায় থাকে?
দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সম্পর্কের জন্য।

