উত্তপ্ত হয়ে উঠল মধ্যপ্রাচ্য—ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে।
সর্বশেষ দফায় ইরান দাবি করেছে, তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে শতাধিক ভারি ক্ষেপণাস্ত্র, আত্মঘাতী ড্রোন এবং অন্তত ২০০টি রকেট ব্যবহার করেছে। এই হামলায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলো অংশ নেয় বলে জানা গেছে।
আইআরজিসি জানায়, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থান এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি। বিশেষ করে বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি এবং কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটির একটি হেলিকপ্টার ইউনিটকে লক্ষ্য করা হয়।
ইরানের দাবি, কুয়েতের ওই ঘাঁটিতে একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, শত্রুদের বিরুদ্ধে এমন হামলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতেও এই হামলার প্রভাব পড়েছে। উম্ম আল-কুওয়াইন শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজন আহত হন। এর আগে ফুজাইরাহ এলাকায় একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হলেও ধ্বংসাবশেষের আঘাতে অন্তত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বাহরাইনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ১৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪১৯টি ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রশাসন নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এবং সন্দেহজনক বস্তু থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে এই নতুন সংঘাত পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

