নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ! কনকনে ঠান্ডার মধ্যেও শুক্রবার মালদহের চাঁচলে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “বিহার ও ওড়িশার পর এবার বাংলা সাফ হবে।”
মালদহে আয়োজিত এই সভা থেকে শুভেন্দু দাবি করেন, এপ্রিল মাসের পর রাজ্যে রাজনৈতিক বদল নিশ্চিত। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বদলের পর বদলা নেওয়াও হবে। পাশাপাশি মালদহ উত্তরের সাংসদ Khagen Murmu-র উপর হামলার প্রসঙ্গ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ত্রাণ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন খগেন মুর্মু, রক্তও ঝরেছিল, তার রাজনৈতিক জবাব দেওয়া হবে।
শুধু তৃণমূল নয়, প্রশাসনকেও কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু। সভার অনুমতি নিয়ে জটিলতার প্রসঙ্গে মালদহের এসডিওকে উদ্দেশ করে বলেন, “নামটা লেখা থাকল, ভোটের পর দেখা হবে।” উল্লেখ্য, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে প্রথমে পুলিশ সভার অনুমতি দেয়নি। পরে বিজেপি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলে শর্তসাপেক্ষে দুপুর ৩টার মধ্যে সভা শেষ করার নির্দেশ দেয় আদালত।
এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতা Debangshu Bhattacharya পালটা বলেন, লোকসভা ও বিধানসভার ফল এক নয়। পুলিশের অনুমতি না দিলে তার পিছনে কারণ থাকে বলেও দাবি করেন তিনি।
সব মিলিয়ে, নতুন বছরের শুরুতেই মালদহের সভা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত দিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: মালদহের কোন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী?
উত্তর: বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা কর্মসূচিতে তিনি বক্তব্য রাখেন।
প্রশ্ন ২: শুভেন্দু অধিকারীর মূল দাবি কী ছিল?
উত্তর: তাঁর দাবি, বিহার ও ওড়িশার পর এবার বাংলায় রাজনৈতিক বদল হবে।
প্রশ্ন ৩: সভার অনুমতি নিয়ে কী সমস্যা হয়েছিল?
উত্তর: পুলিশ প্রথমে অনুমতি দেয়নি, পরে হাই কোর্ট শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয়।
প্রশ্ন ৪: খগেন মুর্মুর প্রসঙ্গ কেন উঠে আসে?
উত্তর: ত্রাণ দিতে গিয়ে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক বদলার কথা বলেন শুভেন্দু।
প্রশ্ন ৫: তৃণমূলের পালটা প্রতিক্রিয়া কী?
উত্তর: তৃণমূলের দাবি, পুলিশের অনুমতি না দেওয়ার পিছনে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।

