এক সময় মনে হয়েছিল, আর নয়—সবকিছু ছেড়ে চলে যাবেন পরিবারে কাছে। এমনই এক অন্ধকার সময় পার করেছিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার Lisandro Martínez।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই তারকা ডিফেন্ডার গত বছর ভয়াবহ মানসিক সংকটে পড়েছিলেন। Manchester United–এর হয়ে খেলতে গিয়ে হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। এই সময়েই ফুটবল ছাড়ার চিন্তা মাথায় আসে।
আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশনের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চোটের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলেন। মনে হতো, সব ছেড়ে আর্জেন্টিনায় ফিরে যাবেন পরিবারের কাছে।
ঠিক সেই কঠিন সময়েই জীবনে আসে নতুন আলো। কন্যাসন্তানের জন্ম বদলে দেয় তার মানসিকতা। মেয়ের মুখ দেখেই নিজেকে নতুন করে গড়ার প্রতিজ্ঞা করেন মার্তিনেজ। প্রতিদিনের রিহ্যাব ও অনুশীলন হয়ে ওঠে আরও দৃঢ় ও লক্ষ্যভিত্তিক।
দীর্ঘ প্রায় ১০ মাসের লড়াই শেষে গত ২৬ ডিসেম্বর নিউক্যাসলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফেরেন তিনি। ইনজুরির এই অধ্যায় তাকে মানুষ হিসেবে আরও পরিণত করেছে বলে মনে করেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। এখন জীবন ও ফুটবল—দুটোকেই তিনি দেখছেন নতুন দৃষ্টিতে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: লিসান্দ্রো মার্তিনেজ কেন ফুটবল ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন?
উত্তর: গুরুতর হাঁটুর ইনজুরি ও দীর্ঘ মাঠের বাইরে থাকার কারণে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।
প্রশ্ন ২: কোন ক্লাবের হয়ে খেলতে গিয়ে তিনি চোট পান?
উত্তর: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলতে গিয়ে তার হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়।
প্রশ্ন ৩: তার জীবনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা কী ছিল এই সময়ে?
উত্তর: কন্যাসন্তানের জন্ম তাকে মানসিকভাবে শক্ত করে তোলে।
প্রশ্ন ৪: কতদিন পর তিনি মাঠে ফিরেছেন?
উত্তর: প্রায় ১০ মাস পর তিনি প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরেছেন।
প্রশ্ন ৫: ইনজুরির অভিজ্ঞতা তাকে কীভাবে বদলেছে?
উত্তর: তিনি এখন জীবন ও ফুটবলকে আরও গভীরভাবে মূল্য দিতে শিখেছেন।

