হলিউডে ঝলমলে আলো থাকলেও বাস্তব চিত্র নাকি ততটা উজ্জ্বল নয়—এমনই ইঙ্গিত দিলেন অস্কার মনোনীত অভিনেত্রী ও নির্মাতা Kristen Stewart। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে অন্যত্র কাজ করার কথা ভাবছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ লন্ডন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রিস্টেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে তিনি স্বাধীনভাবে সৃজনশীল কাজ করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে হাল না ছেড়ে ইউরোপে সিনেমা নির্মাণ করে সেগুলো আমেরিকান দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে চান তিনি।
অভিনেত্রীর মতে, Donald Trump–এর শাসনামলে বাস্তবতা ভিন্ন রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে বিদেশে নির্মিত সিনেমার ওপর আরোপিত শুল্ক বা ট্যারিফ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্রিস্টেনের ভাষায়, এসব সিদ্ধান্ত চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারে।
এই প্রতিকূল পরিবেশের কারণেই নিজের প্রথম পরিচালিত সিনেমা The Chronology of Water–এর শুটিং তিনি লাটভিয়াতে করেছেন। তার দাবি, বর্তমান অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে এই ছবির কাজ শেষ করা প্রায় অসম্ভব ছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। ২০১২ সালে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তৎকালীন টুইটারে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। সেই সময় থেকেই বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের সমালোচনা করে আসছেন এই অভিনেত্রী।
ক্রিস্টেন যদি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়েন, তবে তিনি হবেন ট্রাম্পের কারণে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া তারকাদের তালিকায় নতুন সংযোজন। এর আগে এলেন ডিজেনারেস, রোজি ও’ডোনেল ও জেমস ক্যামেরনের মতো তারকারাও একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন।

