ফিক্সিং কাণ্ডে কাঁপল ইসরায়েলি ফুটবল, একই ক্লাবের ১৭ জন গ্রেপ্তার

Published By: Khabar India Online | Published On:

ফুটবল মানেই উত্তেজনা, কিন্তু এবার সেই উত্তেজনাই রূপ নিল ভয়াবহ চাঞ্চল্যে। ম্যাচ পাতানো ও অর্থপাচারের অভিযোগে ইসরায়েলের দ্বিতীয় স্তরের ফুটবল লিগের একটি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ক্লাবটি হলো FC Kiryat Yam। হাইফার নিকটবর্তী এই ক্লাবটি ন্যাশনাল লিগে অংশ নেয়। তদন্তে উঠে এসেছে, গত তিন বছরে একাধিক ম্যাচে ফলাফল আগেই ঠিক করে রাখা হতো এবং সেই অনুযায়ী অবৈধ বাজিতে অর্থ লগ্নি করা হতো।

গোপন তদন্তে জানা যায়, একটি সংগঠিত অপরাধচক্র ক্লাবটিকে অবৈধ কার্যকলাপের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছিল। দেশ ও বিদেশের অবৈধ জুয়ার মাধ্যমে অর্জিত বিপুল অঙ্কের শেকেল পাচারে ক্লাবের নাম ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়কে একাধিক চুক্তিতে সই করানো হয় এবং পরিকল্পিতভাবে ম্যাচের ফল প্রভাবিত করা হতো। সোমবার ভোরে একযোগে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খেলোয়াড় ও শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ক্লাবটির প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হওয়া ঠেকাতেই এই মামলা সাজানো হয়েছে। ক্লাব চেয়ারম্যান নিসিম আলফাসি বলেন, তাঁরা সম্পূর্ণ বৈধভাবেই ক্লাব পরিচালনা করছেন।

Israel Football Association-এর সহযোগিতায় কয়েক মাসের গোপন তদন্তের পর এই অভিযান চালানো হয়। তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে গ্রেপ্তারদের রিমান্ড বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?
উত্তর: মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রশ্ন ২: কোন ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে?
উত্তর: ইসরায়েলের ন্যাশনাল লিগের ক্লাব এফসি কিরিয়াত ইয়ামের বিরুদ্ধে।

প্রশ্ন ৩: অভিযোগের মূল বিষয় কী?
উত্তর: ম্যাচ পাতানো, অবৈধ বাজি ও অর্থপাচার।

প্রশ্ন ৪: তদন্ত কতদিন ধরে চলছিল?
উত্তর: কয়েক মাস ধরে গোপনে তদন্ত চলেছে।

প্রশ্ন ৫: অভিযুক্তরা কি অভিযোগ স্বীকার করেছেন?
উত্তর: না, তাঁদের আইনজীবীরা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।