Iran War Tension ঘিরে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আর সেই তালিকায় যুক্ত হলো বাহরাইন থেকে সব যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় বাহরাইনে থাকা নিজেদের পঞ্চম নৌবহরের সব জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাঁটি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সামরিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, অতীতেও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আগে একই ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এবারও অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এটি বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপের পূর্বাভাস হতে পারে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক মহলের ধারণা— যুক্তরাষ্ট্র এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখান থেকে পিছু হটার সম্ভাবনা কম। সম্ভাব্য হামলার আগে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের অবহিত করা হতে পারে বলেও আলোচনা চলছে।
যুদ্ধের শঙ্কার মাঝেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় তৃতীয় দফা পরোক্ষ বৈঠকে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ওমান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। কূটনৈতিক আলোচনার এই প্রচেষ্টা সত্ত্বেও উত্তেজনা কমেনি।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সামরিক শক্তি জড়ো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে ইসরায়েলে পৌঁছেছে ১২টি এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
এখন প্রশ্ন একটাই— সত্যিই কি যুদ্ধ অনিবার্য, নাকি শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক সমাধান মিলবে?

