বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, হাসপাতালগুলোতে জরুরি পরিস্থিতি

Published By: Khabar India Online | Published On:

দুই সপ্তাহ পেরিয়েও ইরানে বিক্ষোভের আগুন নিভছে না, বরং প্রতিদিনই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। রাজধানী তেহরানসহ দেশের একাধিক বড় শহর এখন আন্দোলনের উত্তাপে কাঁপছে।

চিকিৎসকদের দাবি, বিক্ষোভ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করতেই হাসপাতালগুলোতে আহতদের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তেহরানের একটি বড় চক্ষু হাসপাতাল ইতিমধ্যেই সংকটের মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর শিরাজের একটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সার্জন না থাকায় জরুরি চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আহতদের অনেকের মাথা ও চোখে গুলির আঘাত রয়েছে বলে চিকিৎসকদের বক্তব্য। জরুরি নয় এমন অস্ত্রোপচার ও ভর্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং অতিরিক্ত কর্মীদের ডাকা হয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপরও ইরানের ভেতরে সংবাদ সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘও এই প্রাণহানিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৮ জন নিহত এবং হাজারের বেশি মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন ১: ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় কবে?
উত্তর: গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে এই বিক্ষোভ শুরু হয়।

প্রশ্ন ২: বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত কতজন নিহত হয়েছেন?
উত্তর: বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫৮ জন।

প্রশ্ন ৩: আহতদের চিকিৎসা পরিস্থিতি কেমন?
উত্তর: হাসপাতালগুলোতে আহতদের ভিড় বেড়েছে এবং অনেক জায়গায় জরুরি পরিষেবা চাপের মুখে।

প্রশ্ন ৪: ইরানে ইন্টারনেট কেন বন্ধ?
উত্তর: বিক্ষোভের সময় তথ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রশ্ন ৫: আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া কী?
উত্তর: জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।