যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে স্বস্তি নেই, হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন তেহরান

Published By: Khabar India Online | Published On:

হঠাৎ সুর বদলালেও ভরসা পাচ্ছে না তেহরান—এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি। কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকিতে উত্তপ্ত ছিল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। তবে গত রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুলনামূলক নরম সুরে কথা বলায় কিছুটা হলেও উত্তেজনা কমেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

ট্রাম্প দাবি করেন, বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তিনি জানতে পেরেছেন যে ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে এবং কোনো বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে না। এই বক্তব্যে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার আশঙ্কা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

তবে ইরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক হাসান আহমাদিয়ান মনে করেন, ওয়াশিংটনের এমন বক্তব্যকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা ইরানের পক্ষে কঠিন। তাঁর মতে, ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমাতে চায়—এমন ইঙ্গিত মিললেও ইরানের নেতারা সম্ভাব্য হামলা নিয়ে উদ্বিগ্নই থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, অতীতে আলোচনার মধ্যেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শিকার হয়েছে—এই অভিজ্ঞতা ইরানের মনে গভীর সন্দেহ তৈরি করেছে। তাই ট্রাম্পের বক্তব্য সত্ত্বেও আকস্মিক হামলার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না তেহরান।

অন্যদিকে, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভকারীদের বড় অংশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেও তারা দেশের ওপর বিদেশি সামরিক হামলা দেখতে চান না। এই বাস্তবতাও পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন ১: ট্রাম্প কেন সুর নরম করেছেন?
উত্তর: তিনি দাবি করেছেন, ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে—এই তথ্যের ভিত্তিতেই সুর নরম হয়েছে।

প্রশ্ন ২: এতে কি হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি কমেছে?
উত্তর: না, সাময়িকভাবে কমলেও ইরান এখনো পুরোপুরি আশ্বস্ত নয়।

প্রশ্ন ৩: ইরান কেন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করছে না?
উত্তর: অতীতে আলোচনার মধ্যেই ইরান হামলার শিকার হয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতার কারণে।

প্রশ্ন ৪: আকস্মিক হামলার সম্ভাবনা কি আছে?
উত্তর: বিশ্লেষকদের মতে, এমন সম্ভাবনা এখনো উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

প্রশ্ন ৫: বিক্ষোভকারীরা কী চায়?
উত্তর: তারা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেও বিদেশি সামরিক হামলা চায় না।