সম্পর্কে শান্তি চাইলে কিছু ভুল থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। কারণ অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না—নিজের কিছু আচরণই ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ বদলানো স্বাভাবিক। প্রথম দিকে সারাদিন কথায়-কথায় ভরপুর থাকলেও ব্যস্ততার চাপে সেই সময় কমে আসতে পারে। তবে সমস্যা দেখা দিলেই হঠাৎ আবেগ উগরে দেওয়া সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে।
সঙ্গী দীর্ঘ বার্তা পাঠালে সেখানে প্রয়োজনীয় কথাও থাকতে পারে। কিন্তু তার উত্তরে মাত্র ‘ওকে’, ‘হুম’ বা এক-দুটি শব্দ লিখে দিলে ভুল সংকেত পৌঁছে যায়। এতে সঙ্গীর মনে অপমান বা দূরত্বের অনুভূতি তৈরি হয়।
আলোচনার সময়ে সঙ্গীর কথা না শুনে নিজের মত চাপিয়ে দেওয়াও একটি বড় ভুল। মন খুলে কথা বলার সুযোগ না পেলে সম্পর্কের ভরসা কমে যায়।
অনেকেই ঝগড়ার সময় পুরোনো প্রসঙ্গ টেনে আনেন, যা অশান্তিকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
এছাড়া অনেক সঙ্গী আছেন যারা কখনোই নিজেদের প্রয়োজন বা অনুভূতি বলেন না, ভেবে নেন—সঙ্গী নিজে থেকেই সব বুঝে নেবেন। কিন্তু তা না ঘটলেই অভিমান জমতে থাকে, যা একসময় দূরত্ব তৈরি করে।
সবশেষে—ঝগড়ায় জেতার অভ্যাস সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শত্রু। কারণ সম্পর্ক যুদ্ধের জায়গা নয়, বোঝাপড়ার জায়গা। জিততে গিয়ে অনেক সময় মানুষ হারিয়ে ফেলে মূল্যবান সম্পর্ক।
১. সম্পর্কের সবচেয়ে সাধারণ ভুল কোনটি?
অনেকেই সঙ্গীর কথা মন দিয়ে না শুনে নিজের মত চাপিয়ে দেন—এটাই সবচেয়ে সাধারণ ভুল।
২. সংক্ষিপ্ত উত্তর দেওয়া কি সম্পর্কের ক্ষতি করে?
হ্যাঁ, বারবার ছোট বা একশব্দের উত্তর দিলে সঙ্গীর মনে দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
৩. পুরোনো প্রসঙ্গ টেনে আনা কেন সমস্যা?
কারণ এতে বর্তমান সমস্যা আড়াল হয়ে যায় এবং ঝগড়া আরও তীব্র হয়।
৪. অনুভূতি প্রকাশ না করলে কী হয়?
অভিমান জমতে থাকে, যা দীর্ঘ সময়ে সম্পর্কে ভাঙন ডেকে আনতে পারে।
৫. সবসময় ঝগড়ায় জিততে চাইলে কী হয়?
এতে সঙ্গীর মন ভেঙে যায় এবং সম্পর্কের বিশ্বাস দুর্বল হয়।

