গঙ্গাসাগর যাত্রায় নতুন দিগন্ত, ১৭০০ কোটির সেতুর শিলান্যাস করলেন মমতা

Published By: Khabar India Online | Published On:

গঙ্গাসাগর যাত্রায় দীর্ঘদিনের সমস্যার অবসান ঘটতে চলেছে— এমনই আশার কথা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার গঙ্গাসাগর যাওয়ার জন্য প্রস্তাবিত নতুন সেতুর শিলান্যাস করে তিনি জানালেন, তাঁর সরকার কথার থেকে কাজে বিশ্বাসী।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চার লেনের আধুনিক সেতু তৈরি হলে কাকদ্বীপের লট-৮ থেকে কচুবেড়িয়া পৌঁছোতে আর ফেরি বা ভেসেলের উপর নির্ভর করতে হবে না। আগামী দু’ থেকে তিন বছরের মধ্যেই এই সেতু নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে বলে আশাবাদী তিনি।

সরকারি মঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, আগে বলা হত ‘সব সাগর বার বার, গঙ্গাসাগর এক বার’। এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। নতুন সেতু হলে গঙ্গাসাগরে যাতায়াত সহজ হবে, কমবে মানুষের ভোগান্তি। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনের উন্নতিও হবে বলে মত তাঁর।

২০১১ সালের পর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় পরিকাঠামো উন্নয়নে একের পর এক প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই সময়ে জেলায় ৩৭টি ছোট-বড় সেতু তৈরি হয়েছে। হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর উপর সেতু হওয়ায় বকখালি যাতায়াত সহজ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাগরদ্বীপে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, সুন্দরবন পুলিশ জেলা গঠন হয়েছে, তৈরি হয়েছে নতুন কোস্টাল থানা, জেটি ও হেলিপ্যাড। পর্যটকদের জন্য গঙ্গাসাগরে তৈরি হয়েছে ‘সাগরকন্যা’ ডরমেটরি ও একাধিক কটেজ।

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: গঙ্গাসাগরের নতুন সেতু কোথা থেকে কোথা পর্যন্ত হবে?
উত্তর: কাকদ্বীপের লট-৮ থেকে কচুবেড়িয়া পর্যন্ত সেতুটি তৈরি হবে।

প্রশ্ন ২: সেতু নির্মাণে কত খরচ হবে?
উত্তর: প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন ৩: কবে নাগাদ সেতু তৈরি সম্পূর্ণ হবে?
উত্তর: আগামী দু’ থেকে তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা।

প্রশ্ন ৪: সেতু হলে কী সুবিধা হবে?
উত্তর: ফেরি নির্ভরতা কমবে, যাতায়াত সহজ হবে এবং পর্যটন বাড়বে।

প্রশ্ন ৫: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আর কী উন্নয়ন হয়েছে?
উত্তর: একাধিক সেতু, বিদ্যুৎ, কোস্টাল থানা ও পর্যটন পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে।