শীতের সন্ধ্যা মানেই একরাশ ঠান্ডা আর সঙ্গে জমে ওঠা খিদে। এই সময়ে মুখরোচক কিছু খেতে মন চাইলেও বাইরে থেকে রোজ খাবার খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়। তাই শীতের সন্ধ্যায় এমন খাবার বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের, যা শরীরকে গরম রাখবে আবার স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করবে না।
চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে সন্ধ্যার খাবার হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার খেলে হজম ভালো থাকে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।
সবজির স্যুপ
শীতকাল মানেই বাজার ভরে যায় টাটকা সবজিতে। ব্রকোলি, গাজর, কড়াইশুঁটি, টমেটো কিংবা কুমড়ো দিয়ে গরম স্যুপ তৈরি করতে পারেন। চাইলে এতে চিকেন বা ডিমও যোগ করা যায়। এক বাটি গরম স্যুপ শরীর গরম রাখার পাশাপাশি ইমিউনিটিও বাড়ায়।
ভেষজ চা
সন্ধ্যাবেলায় এক কাপ গরম ভেষজ চা ক্লান্তি দূর করে মুহূর্তে চনমনে করে তোলে। তুলসী, ক্যামোমাইল বা ল্যাভেন্ডার দিয়ে তৈরি হারবাল টি শরীর গরম রাখতে দারুণ কাজ করে। তবে দুধ ও চিনি মেশানো চা এড়িয়ে চলাই ভালো। মাঝে মাঝে হট চকোলেটও খেতে পারেন।
রাঙা আলু
শীতকালে সহজলভ্য রাঙা আলু মাইক্রোওয়েভে বেক করে মাখন, চিজ, লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে মেখে নিলে তৈরি হয়ে যাবে দারুণ সন্ধ্যার খাবার। চাইলে রাঙা আলু দিয়ে হালকা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইও বানাতে পারেন।
ওটমিল
ওটস শুধু ব্রেকফাস্টের জন্য নয়। দুধ দিয়ে গরম ওটমিল বানিয়ে সন্ধ্যায় খেলে হজম ভালো থাকে এবং ঠান্ডাও কম লাগে। এর সঙ্গে আখরোট বা আমন্ড মেশালে পুষ্টিগুণ আরও বাড়ে।
প্রশ্ন ও উত্তর
১. শীতের সন্ধ্যায় কোন খাবার শরীর সবচেয়ে ভালো গরম রাখে?
গরম স্যুপ, ওটমিল ও ভেষজ চা শরীর গরম রাখতে সবচেয়ে কার্যকর।
২. শীতে সন্ধ্যায় চা খাওয়া কি ভালো?
হ্যাঁ, তবে দুধ-চিনি ছাড়া হারবাল টি খাওয়াই স্বাস্থ্যকর।
৩. রাঙা আলু কি শীতে খাওয়া উপকারী?
রাঙা আলু পুষ্টিকর এবং শরীরে উষ্ণতা জোগাতে সাহায্য করে।
৪. ওটমিল কি রাতে খাওয়া নিরাপদ?
হ্যাঁ, হালকা ওটমিল সন্ধ্যায় বা রাতে খাওয়া হজমের জন্য ভালো।
৫. শীতে বাইরে ভাজাভুজি খাওয়া কি উচিত?
নিয়মিত নয়, কারণ এতে পেটের সমস্যা হতে পারে। ঘরোয়া গরম খাবারই ভালো।

