বিছানায় বসে কাজ করবেন না, এটি খুবই Unhealthy Habit

Published By: Khabar India Online | Published On:

খবরইন্ডিয়াঅনলাইন, ওয়েবডেস্কঃ   ঘরে বসে করছেন অফিসের কাজ। কারও কারও বাড়িতে বসে কাজ করা মানে বিছানায় শুয়ে-বসে কাজ। এটি খুবই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। আপনারও যদি এভাবে বিছানায় বসে কাজ করার অভ্যাস থাকে তবে তা দ্রুত ত্যাগ করুন।

বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করলেও একটি নির্দিষ্ট স্থান বেছে নিন। চেয়ার-টেবিলে বসে কাজ করার অভ্যাস করুন। যেখানে-সেখানে বসে অফিসের কাজ করতে যাবেন না। এতে কাজে ঠিকভাবে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব না-ও হতে পারে। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যেন মেরুদণ্ড সোজা থাকে। এতে ব্যাক পেইনের মতো সমস্যা থেকে দূরে থাকা যাবে। সেই সঙ্গে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে বসুন। ফলে চোখ ভালো রাখা সহজ হবে। আপনি যদি বিছানায় বসে অফিসের কাজ করে থাকেন তবে দেখা দিতে পারে নানা শারীরিক সমস্যা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত বিছানায় বসে অফিসের কাজ করলে দেখা দিতে পারে ঘুমের সমস্যা। আপনি যদি সারাদিন বিছানায়ই থাকেন, তাহলে ঘুমের প্রতি আলাদা কোনো আকর্ষণ কাজ করবে না। ঘুমের নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম না-ও আসতে পারে। এর কারণ হলো সারাদিন বিছানায় থাকার কারণে বিছানাকে আলাদা কিছু মনে হয় না। লকডাউনে যারা বিছানায় বসে অফিসের কাজ করেছেন, তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বিছানায় বসে কাজ করলে স্বাভাবিকভাবেই মেরুদণ্ড সোজা রাখা সম্ভব হয় না। ফলে দেখা দিতে পারে পিঠ ও কাঁধে ব্যথা। দীর্ঘ সময় এভাবে বসে থাকলে হতে পারে স্নায়ুর সমস্যাও। এ ধরনের ব্যথা একবার দেখা দিলে মুক্তি পাওয়া কষ্টসাধ্য। তাই বিছানায় বসে কাজ করার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

বিছানা ব্যবহার করা হয় বিশ্রাম কিংবা আরামের জন্য। সারাদিন কাজের ফলে মনের উপর যেসব চাপ পড়ে তা থেকে মুক্তি দিতে পারে একটি ভালো ঘুম। কিন্তু বিছানায় থেকেই যদি অফিসের কাজ করেন তবে সেই চাপ থেকে বের হয়ে আসা মুশকিল। কারণ তখন আর বিছানা শুধু বিশ্রামের জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর প্রভাব পড়ে ঘুমের ক্ষেত্রেও।

আরামে কাজ করার জন্য বিছানাকে বেছে নেন, কিন্তু এটিই ডেকে আনতে পারে আপনার ক্ষতি। শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির পাশাপাশি করে কাজেরও ক্ষতি। গবেষণা বলছে, বিছানায় বসে কাজ করলে কর্মদক্ষতা কমে যায় অনেকটাই। তাই কর্মদক্ষতা ধরে রাখতে বিছানায় বসে কাজ করার অভ্যাস বাদ দিন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শারীরিক কার্যকলাপ বা নড়াচড়া যত বেশি হবে, শরীর তত বেশি সুস্থ থাকবে। এক জায়গায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা বা শুয়ে-বসে থাকার অভ্যাস তাই বাদ দিতে হবে। দীর্ঘ সময় বসে কাটালে দেখা দিতে পারে ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো মারাত্মক অসুখও।