খুন, না কি সাজানো আত্মহত্যা? দক্ষিণ ২৪ পরগনার Canning থানার এক মহিলা হোমগার্ডের রহস্যমৃত্যু ঘিরে ক্রমেই জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। অবশেষে ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT গঠন করল পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছয় সদস্যের এই SIT-এর নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপান্তর সেনগুপ্ত। শনিবার সন্ধ্যায় ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় মহিলা হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমি মোল্লার দেহ। তিনি জীবনতলা থানার বাসিন্দা।
পরিবারের অভিযোগ, রেশমি আত্মহত্যা করতে পারেন না। তাঁদের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে। মৃতার কাকার অভিযোগ অনুযায়ী, ক্যানিং থানার এক সাব-ইনস্পেক্টরের সঙ্গে রেশমির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে খুন করে আত্মহত্যার রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়, অভিযুক্ত সাব-ইনস্পেক্টর সায়ন ভট্টাচার্য বর্তমানে পলাতক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এখনই খুন না আত্মহত্যা—এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাইছে না জেলা পুলিশ।
উল্লেখ্য, দু’বছর আগে পঞ্চায়েত ভোটের সময় ভাঙড়ে খুন হন রেশমির বাবা রশিদ মোল্লা। সেই ঘটনার পর পরিবারের বড় মেয়ে হিসেবে রেশমি হোমগার্ডের চাকরি পান। বাবার মৃত্যুর ক্ষত কাটতে না কাটতেই মেয়ের রহস্যমৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: হোমগার্ড রেশমি মোল্লার দেহ কোথা থেকে উদ্ধার হয়?
উত্তর: ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
প্রশ্ন ২: এই ঘটনায় কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে?
উত্তর: ক্যানিং থানার এক সাব-ইনস্পেক্টরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রশ্ন ৩: অভিযুক্ত পুলিশকর্মী কি গ্রেপ্তার হয়েছেন?
উত্তর: না, তিনি বর্তমানে পলাতক বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রশ্ন ৪: তদন্তের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপান্তর সেনগুপ্তের নেতৃত্বে SIT গঠন করা হয়েছে।
প্রশ্ন ৫: পুলিশ কি মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করেছে?
উত্তর: না, এখনও খুন না আত্মহত্যা—এই বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

