শরীরের গন্ধ অনেক সময় আমাদের অজান্তেই বদলে যায়, আর সেই পরিবর্তনের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখে প্রতিদিনের খাবার। আঙুলের ছাপ যেমন প্রতিটি মানুষের আলাদা, ঠিক তেমনই শরীরের গন্ধও একেকজনের একেক রকম— এবং সেই ঘ্রাণকে নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের ডায়েট, স্বাস্থ্য, মানসিক অবস্থা ও হরমোন।
স্কটল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব স্টারলিংয়ের সোশ্যাল সাইকোলজির অধ্যাপক ক্রেইগ রবার্টস জানিয়েছেন, বছরের পর বছর গবেষণায় এটাই স্পষ্ট হয়েছে যে মানুষের শরীরের গন্ধ তৈরি হয় জিন, হরমোন, স্বাস্থ্যবিধি ও সামগ্রিক জীবনযাপনের ওপর নির্ভর করে। আপনি সুখী, দুঃখী, সুস্থ বা অসুস্থ— সবকিছুই ঘ্রাণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
তবে সব কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও খাদ্যাভ্যাস বদলে শরীরের গন্ধে পরিবর্তন আনা সম্ভব। গবেষকদের মতে, যেসব খাবার আমরা খাই, সেগুলো সরাসরি শরীরের গন্ধে প্রভাব ফেলে। মাংস, মশলাদার খাবার, এমনকি দীর্ঘ সময় উপবাস থাকাও শরীরের ঘ্রাণ বদলে দিতে পারে। আর এগুলোই নির্ধারণ করে অন্যের কাছে আমরা কতটা আকর্ষণীয় বা অস্বস্তিকর মনে হব।
অধ্যাপক রবার্টস বলেন, সঠিক ডায়েট শরীরের গন্ধকে আরও মনোরম করতে পারে, আর ভুল খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে দুর্গন্ধ। তাই শরীরের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রথমেই নজর দিতে হবে খাবারের তালিকায়।
1. শরীরের দুর্গন্ধের প্রধান কারণ কী?
খাদ্যাভ্যাস, হরমোন, স্বাস্থ্যবিধি ও মানসিক অবস্থার মিলেই তৈরি হয় শরীরের গন্ধ।
2. কোন খাবারে শরীরে দুর্গন্ধ বাড়ে?
মাংস, অতিরিক্ত মশলা, রসুন-পেঁয়াজ ঘ্রাণ বাড়াতে পারে।
3. উপবাস কি শরীরের গন্ধ বদলে দেয়?
হ্যাঁ, দীর্ঘ উপবাসে শরীরে কিটোন তৈরি হয়, যা গন্ধে প্রভাব ফেলে।
4. ডায়েট বদলালে কি ঘ্রাণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?
হ্যাঁ, স্বাস্থ্যকর খাবার শরীরের গন্ধকে আরও মনোরম করে।
5. শরীরের গন্ধ কি মানসিক অবস্থার সঙ্গে যুক্ত?
হ্যাঁ, গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক চাপ ও আবেগগত অবস্থা ঘ্রাণে প্রভাব ফেলে।

