ইতিহাস বদলে দিল আইফোন—সংখ্যাগুলোই যেন সব কথা বলছে। iPhone record revenue গড়ে আবারও প্রযুক্তি দুনিয়ার শিরোনামে উঠে এল Apple।
২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শুধু আইফোন থেকেই অ্যাপলের আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটি আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়। সব মিলিয়ে কোম্পানির মোট রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি।
বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী Tim Cook জানান, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তাঁর মতে, এটি এখন পর্যন্ত অ্যাপলের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ, যা জনপ্রিয়তার সব পুরোনো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে আইফোন ১৭ সিরিজ। বেস মডেলেই যুক্ত করা হয়েছে আগে শুধু প্রো সংস্করণে থাকা ফিচার—যেমন অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে ও উন্নত রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন। যদিও ‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে, তবু সামগ্রিক বিক্রিতে তার প্রভাব তেমন পড়েনি।
তবে বাড়তি চাহিদা নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে উন্নত চিপ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে। তবুও বিক্রির গতি কমেনি।
অন্যদিকে, অ্যাপলের সেবাভিত্তিক ব্যবসাও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড ও অ্যাপল টিভি প্লাস থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।
আগামী দিনের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সিরিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এআই সুবিধা, যেখানে Google-এর Gemini AI ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, অ্যাপল প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে কিউ.এআই নামের একটি এআই স্টার্টআপ অধিগ্রহণের পথে—যা ভবিষ্যতের হেডফোন বা স্মার্ট গ্লাসে নতুন অভিজ্ঞতা আনতে পারে।

