আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এলাকায় জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা। পাঁচ জনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে আইন মেনে তিনি একেবারে অকুস্থলে যাননি।
নাজিরাবাদে পৌঁছে শুভেন্দু জানান, তিনি আইন মানেন এবং পুলিশের নির্দেশ মেনে ১০০ মিটার দূর থেকেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির একাধিক বিধায়ক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বারুইপুর আদালতের অনুমতি নিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরে বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, এখনও ২০ জনের বেশি নিখোঁজ এবং মৃতের সংখ্যা ৪০ ছুঁতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী আসেননি, যা রাজধর্ম পালনে ব্যর্থতার ইঙ্গিত।
উল্লেখ্য, গত রবিবার আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ওয়াও মোমো ও একটি ডেকরেটার্সের গুদামে আগুন লাগে। এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে এবং ২১টি দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। থানায় ২৭ জনের নামে নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও শুভেন্দুর অভিযোগ, বিরোধীদের আটকাতেই হঠাৎ করে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের মিছিল বাতিল হলেও শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে হাই কোর্টের অনুমতি পেয়েছে বিজেপি।

