AI Impact Summit ঘিরে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ঘটে যাওয়া এক বিক্ষোভ এখন জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে গুরুতর প্রশ্ন— গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সীমা কোথায় শেষ হয়?
দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মঞ্চে এমন আচরণ করা যায় না, যা দেশের কূটনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। আদালতের মতে, AI Impact Summit চলাকালীন যুব কংগ্রেস কর্মীদের আচরণ বৈধ প্রতিবাদের সীমা অতিক্রম করেছে।
গত শুক্রবার সম্মেলন চলাকালীন কয়েকজন যুব কংগ্রেস সদস্য ভারত মণ্ডপমে প্রবেশ করে খালি গায়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের পরিহিত টিশার্টে প্রধানমন্ত্রী ও ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যিক সমঝোতা নিয়ে সমালোচনামূলক বার্তা লেখা ছিল। তাঁরা স্লোগানও দেন বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। কৃষ্ণ হরি, কুন্দন যাদব, অজয় কুমার এবং নরসিংহ যাদব— চারজনই যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সম্মেলনস্থলে প্রবেশ করেছিলেন। শুধু বিক্ষোভ নয়, সরকারি কর্মীদের কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। আদালত মনে করছে, এই ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।
উল্লেখ্য, AI Impact Summit-এ দেশ-বিদেশের বহু প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে এই ঘটনার আন্তর্জাতিক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত।

