অগ্নিগর্ভ পশ্চিম এশিয়া। আর সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই আটকে বহু ভারতীয়। পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি ঘিরে এবার বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সোমবার দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে তিনি জানান, পশ্চিম এশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সরকার সর্বতোভাবে তৎপর। সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চালানো হচ্ছে। ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে এবং কূটনৈতিক পথে এই সংকটের সমাধান হোক।
বর্তমানে ভারতের সফরে রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তাঁর সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ ও কট্টরপন্থাকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন ও ইজ়রায়েলি হামলার পর ইরানে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। বহু দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছে, বিমান পরিষেবা স্থগিত হয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী ভারতীয়রা।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটিতে ইতিমধ্যেই উদ্ধার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানিয়েছেন, আতঙ্কের কারণ নেই। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় যেভাবে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা হয়েছিল, তেমনই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, দিল্লিতে বৈঠকের পরে ভারত ও কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ইউরেনিয়াম চুক্তি নিয়েও অগ্রগতির কথা ঘোষণা করেছে। ভবিষ্যতে ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর তৈরিতেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।
এদিকে ইরান-ইজ়রায়েল সংঘাত ঘিরে সামরিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেহরান-সহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে, আর তার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব রাজনীতিতেও।

