Donald Trump Iran Regime Change নিয়ে নতুন করে জল্পনা ছড়াল আন্তর্জাতিক মহলে। হঠাৎ করেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের কড়া মন্তব্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সম্ভাব্য শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, “এটাই হয়তো সবচেয়ে ভালো সমাধান।” একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, পারমাণবিক চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধের মাঝে এই মন্তব্য এসেছে। জেনেভায় মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ইরানের বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে ওমানের প্রতিনিধি মধ্যস্থতা করবেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, পেন্টাগন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড ওই অঞ্চলে মোতায়েন হচ্ছে। এর সঙ্গে থাকবে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমান।
ট্রাম্প বলেন, “৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথা বলছে। আমরা অনেক ক্ষতি সহ্য করেছি।” তিনি আরও দাবি করেন, আগের হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, নতুন আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হোক। তবে তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু আলোচনায় আনতে রাজি নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সমঝোতা না হয়, তাহলে বড় সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর।

