নকআউটের উত্তেজনার আগে ইউরোপিয়ান ফুটবলে আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কার মুখোমুখি হচ্ছে কারা? চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্ব শেষ হতেই এবার সব আলো প্লে-অফ ড্রয়ের দিকে। এই ড্র থেকেই নির্ধারিত হবে শেষ ষোলোতে ওঠার পথ।
লিগ পর্বে নবম থেকে ২৪তম স্থানে শেষ করা মোট ১৬টি দল প্লে-অফে অংশ নিচ্ছে। শীর্ষ আট দল আগেই সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করায় তারা এই পর্বে খেলছে না। আজ শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ড্রয়ের মাধ্যমে ঠিক হবে কোন দল কার বিপক্ষে খেলবে।
ড্রয়ের নিয়ম অনুযায়ী, নবম থেকে ১৬তম স্থানে থাকা দলগুলো থাকবে ‘সিডেড’ পটে এবং ১৭ থেকে ২৪তম স্থানে থাকা দলগুলো থাকবে ‘আনসিডেড’ পটে। সিডেড দলগুলোর বিপক্ষেই ড্র হবে আনসিডেড দলগুলোর। এর ফলে লিগ টেবিলের অবস্থান প্লে-অফের প্রতিপক্ষ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখছে।
সিডেড দলগুলো বাড়তি সুবিধাও পাবে। তারা প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগ খেলবে নিজেদের মাঠে, যা নকআউট ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে ধরা হয়। যেমন, লিগ পর্বে ১১তম স্থানে থাকা নিউক্যাসল থাকছে সিডেড পটে। ফলে তারা মুখোমুখি হবে ২১ বা ২২তম স্থানে থাকা মোনাকো কিংবা কারাবাগের বিপক্ষে।
প্লে-অফের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি। এক সপ্তাহ পর হবে দ্বিতীয় লেগ। দুই লেগের ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে শেষ ষোলোতে ওঠা আটটি দল।
এই মৌসুম থেকে নতুন নিয়মে লিগ পর্বের অবস্থান কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের সিডিংয়েও প্রভাব ফেলবে। লিগে প্রথম থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো কোয়ার্টার ফাইনালে এবং শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে দ্বিতীয় লেগ নিজেদের মাঠে খেলার সুযোগ পাবে। কোনো সিডেড দল বাদ পড়লে, যে দল তাকে হারাবে সেই দলই এই সুবিধা পাবে।
প্লে-অফ শেষে শুরু হবে পুরোপুরি নকআউট পর্ব, যেখানে ফাইনাল ছাড়া প্রতিটি রাউন্ড হবে দুই লেগে। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই থাকবে হিসেব, চাপ আর উত্তেজনা।

