হঠাৎ করেই চ্যাটজিপিটির অভিজ্ঞতায় আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। ব্যবহারকারীর বয়স অনুমান করে কনটেন্ট দেখানোর নতুন ফিচার চালু করতে যাচ্ছে ওপেনএআই।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা ওপেনএআই জানিয়েছে, চ্যাটজিপিটিতে ‘এজ প্রেডিকশন’ বা বয়স শনাক্তের প্রযুক্তি ধাপে ধাপে চালু করা হবে। এর মূল লক্ষ্য ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা।
এই ফিচারের মাধ্যমে কোনো অ্যাকাউন্ট কিশোরের হতে পারে বলে মনে হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হবে। ফলে সহিংসতা, যৌনতা বা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত সংবেদনশীল কনটেন্ট দেখার সুযোগ সীমিত হয়ে যাবে।
তবে ওপেনএআই স্বীকার করেছে, বয়স শনাক্তের এই পদ্ধতি শতভাগ নির্ভুল নয়। ভুলভাবে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারী কিশোরদের অভিজ্ঞতার আওতায় পড়তে পারেন। সে ক্ষেত্রে পূর্ণ সুবিধা পেতে পরিচয় যাচাই করতে হবে। এজন্য ব্যবহারকারীকে সেলফি জমা দিতে হবে, যা ‘পারসোনা’ পরিচয় যাচাই সেবার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই ফিচার চালু হওয়ার কথা। শিশু-কিশোরদের অনলাইন সুরক্ষা নিয়ে কঠোর নিয়ম থাকায় ইউরোপে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ওপেনএআই।
এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে চ্যাটজিপিটিতে আলাদা প্রাপ্তবয়স্ক অভিজ্ঞতা চালুর পরিকল্পনা। ইতিমধ্যে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ‘অ্যাডাল্ট মোড’ চালুর ইঙ্গিত দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বর্তমানে চ্যাটজিপিটির সাপ্তাহিক সক্রিয় ব্যবহারকারী প্রায় ৮০ কোটি। এত বিশাল ব্যবহারকারীভিত্তির কারণে বয়সভিত্তিক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ওপেনএআইয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
প্রশ্ন ও উত্তর
১. চ্যাটজিপিটিতে বয়স শনাক্তের ফিচার কেন চালু হচ্ছে?
কিশোর ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
২. বয়স শনাক্ত কীভাবে কাজ করবে?
এআই মডেলের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টের আচরণ বিশ্লেষণ করে অনুমান করা হবে।
৩. ভুলভাবে বয়স শনাক্ত হলে কী হবে?
পরিচয় যাচাই করলে পূর্ণ সুবিধা ফিরে পাওয়া যাবে।
৪. কোন অঞ্চলে আগে চালু হচ্ছে ফিচারটি?
ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রথম চালু হবে।
৫. ভবিষ্যতে কী নতুন পরিবর্তন আসতে পারে?
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আলাদা ‘অ্যাডাল্ট মোড’ চালু হতে পারে।

