জাপানে শিনজো আবের হত্যাকারীর যাবজ্জীবন, আদালতের ঐতিহাসিক রায়

Published By: Khabar India Online | Published On:

এক মুহূর্তের গুলিতে বদলে গিয়েছিল জাপানের ইতিহাস—অবশেষে সেই ঘটনার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করল দেশটির আদালত। জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের হত্যাকারী তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঘোষিত এই রায়ে আদালত জানায়, ২০২২ সালে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং জাপানের যুদ্ধ-পরবর্তী ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সহিংস ঘটনা। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই হত্যাকাণ্ড সমাজে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

২০২২ সালের ৮ জুলাই নারা শহরে নির্বাচনী প্রচারণার সময় শিনজো আবেকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি শুধু জাপান নয়, গোটা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

আদালতে তেতসুয়ার আইনজীবী সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন। তবে বিচারকরা অপরাধের ভয়াবহতা ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনা করে যাবজ্জীবন সাজা বহাল রাখেন।

তদন্তে উঠে আসে, তেতসুয়ার ক্ষোভের পেছনে ছিল ইউনিফিকেশন চার্চ–সংক্রান্ত পারিবারিক বিপর্যয়। মায়ের দান করা বিপুল অর্থে পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ায় তিনি চরম মানসিক ও আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন ১: শিনজো আবে কবে নিহত হন?
উত্তর: ২০২২ সালের ৮ জুলাই নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।

প্রশ্ন ২: হত্যাকারীর নাম কী?
উত্তর: তেতসুয়া ইয়ামাগামি।

প্রশ্ন ৩: আদালত কী সাজা দিয়েছে?
উত্তর: তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন ৪: হত্যার পেছনে মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর: ইউনিফিকেশন চার্চ নিয়ে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ক্ষোভ।

প্রশ্ন ৫: এই রায়কে কেন ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে?
উত্তর: এটি জাপানের যুদ্ধপরবর্তী ইতিহাসে বিরল ও গভীর প্রভাববাহী রায়।