অভিবাসন ইস্যুতে উত্তাল আমেরিকা, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে পথে নামল জনতা

Published By: Khabar India Online | Published On:

হঠাৎ করেই উত্তাল হয়ে উঠল আমেরিকার রাজপথ। প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শ্রমিক— সকলের একটাই দাবি, অভিবাসন দমনের নামে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তির দিনেই এই প্রতিবাদ নতুন মাত্রা পায়। বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একযোগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বিশেষ করে মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের এক মার্কিন নাগরিক নারীকে গাড়ি থেকে টেনে নামানো এবং রেনে গুড নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, Washington ছাড়াও নর্থ ক্যারোলিনার ছোট শহর Asheville-এ শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভকারীরা ‘নো আইসিই, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগানে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারে তারা ভোটারদের ম্যান্ডেট পেয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপ বলছে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা Immigration and Customs Enforcement-এর অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক।

ওহাইওর Cleveland-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘নো হেইট, নো ফিয়ার, রিফিউজিস আর ওয়েলকাম হিয়ার’ স্লোগানে বিক্ষোভ করেন। একই সময়ে নিউ মেক্সিকোর Santa Fe-তে হাইস্কুল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে ‘স্টপ আইসিই টেরর’ সমাবেশে যোগ দেয়।

বামপন্থী সংগঠন Indivisible ও 50501-এর পাশাপাশি শ্রমিক ইউনিয়ন ও তৃণমূল সংগঠন এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। টেক্সাসের El Paso-র একটি আটক কেন্দ্রে অভিবাসীদের মৃত্যুর ঘটনাও ক্ষোভ আরও বাড়িয়েছে। ধীরে ধীরে এই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে San FranciscoSeattle-এর মতো পশ্চিমাঞ্চলের শহরগুলোতে।

প্রশ্ন ও উত্তর 

১. কেন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ হচ্ছে?
ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি ও আইসিই-এর ভূমিকার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ।

২. কারা এই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন?
শিক্ষার্থী, শ্রমিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।

৩. কোন কোন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে?
ওয়াশিংটন, ক্লিভল্যান্ড, সান্তা ফে, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটলসহ বহু শহরে।

৪. বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি কী?
অভিবাসীদের ওপর সহিংসতা বন্ধ ও আটক কেন্দ্রগুলো বন্ধ করার দাবি।

৫. সরকার কী বলছে?
ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, অবৈধ অভিবাসী বহিষ্কারে তারা ভোটারদের সমর্থন পেয়েছে।