গর্ভবতী মায়েদের যে ৫ অভ্যাসে ক্ষতি হতে পারে শিশুর

Published By: Khabar India Online | Published On:

গর্ভাবস্থা শুধু আনন্দের নয়, দায়িত্বেরও সময়। এই সময়ের ছোট একটি ভুলও প্রভাব ফেলতে পারে মা ও গর্ভের সন্তানের স্বাস্থ্যে। অনেক সময় ভুল তথ্য, সামাজিক চাপ কিংবা ভয় থেকেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা পরে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আগে থেকেই জানা দরকার গর্ভাবস্থায় কোন কোন ভুল একেবারেই করা উচিত নয়।

প্রসবপূর্ব চেকআপে অবহেলা
নিয়মিত প্রসবপূর্ব পরীক্ষা গর্ভাবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে প্রথম ও শেষ ত্রৈমাসিকে চেকআপ বাদ পড়লে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা শিশুর বৃদ্ধিজনিত সমস্যা দেরিতে ধরা পড়ে। সময়মতো পরীক্ষা মা ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

পুষ্টিকর খাবার এড়িয়ে যাওয়া
গর্ভাবস্থা মানে বেশি খাওয়া নয়, সঠিক খাওয়া। ওজন বাড়ার ভয় বা অনলাইন ডায়েট ট্রেন্ড অনুসরণ করলে আয়রন ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এতে শিশুর ওজন কম হওয়া বা রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি বাড়ে।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন
অনেকেই ঘরোয়া টোটকা বা সাধারণ ওষুধকে নিরাপদ মনে করেন। কিন্তু গর্ভাবস্থায় অনেক ওষুধ প্লাসেন্টা অতিক্রম করে শিশুর ক্ষতি করতে পারে। তাই সামান্য ব্যথা বা সর্দিতেও চিকিৎসকের অনুমতি জরুরি।

শারীরিক কার্যকলাপ পুরোপুরি বন্ধ রাখা
সম্পূর্ণ বিশ্রাম সব সময় উপকারী নয়। চিকিৎসাগত বাধা না থাকলে হালকা হাঁটা, প্রেনাটাল যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং শরীরকে সুস্থ রাখে এবং প্রসবের জন্য প্রস্তুত করে।

মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর না দেওয়া
উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা বা মানসিক চাপকে স্বাভাবিক ভেবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়। অতিরিক্ত চাপ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা দরকার।

প্রশ্ন ও উত্তর  


১. গর্ভাবস্থায় কত ঘন ঘন চেকআপ প্রয়োজন?
সাধারণত মাসে একবার, শেষ ত্রৈমাসিকে আরও ঘন ঘন প্রয়োজন হয়।

২. প্রেগন্যান্সিতে ডায়েট কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সরাসরি শিশুর বৃদ্ধি ও মায়ের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত।

৩. সব ঘরোয়া প্রতিকার কি ক্ষতিকর?
সব নয়, তবে অনেক প্রতিকার গর্ভাবস্থায় অনিরাপদ হতে পারে।

৪. হালকা ব্যায়াম কি নিরাপদ?
ডাক্তারের অনুমতি থাকলে হালকা ব্যায়াম নিরাপদ ও উপকারী।

৫. মানসিক চাপ হলে কী করা উচিত?
বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা ও পরিবারের সহায়তা নেওয়া উচিত।