সিঙ্গুরের মাটিতে মোদির ডাক, “পালটানো দরকার”, বদলের বার্তা নির্বাচনের আগে

Published By: Khabar India Online | Published On:

বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে সিঙ্গুর বরাবরই এক বিশেষ নাম। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই ঐতিহাসিক মাটিতেই সভা করে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি। বদল, উন্নয়ন ও শিল্প ফেরানোর ডাক ঘিরে সরগরম হয়ে উঠল সিঙ্গুর

সভা মঞ্চ থেকে মোদি বলেন, “পালটানো দরকার।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে বাংলায় অনুপ্রবেশ, নারী নির্যাতন ও সিন্ডিকেট রাজ চলছে। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার জন্য বারবার চিঠি দিলেও রাজ্য সরকার গুরুত্ব দেয়নি। বিজেপিকে একটি ভোট দিলেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।

উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে মোদি জানান, বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিল্পের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে। ‘এক জেলা, এক পণ্য’ প্রকল্পের মাধ্যমে পাটশিল্প-সহ স্থানীয় শিল্প চাঙ্গা করার আশ্বাস দেন। আয়ুষ্মান ভারত, পিএমশ্রী স্কুল, মৎস্যজীবীদের ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি।

মোদি আরও বলেন, বিজেপি এলে মা-বোনেদের জলযন্ত্রণা মিটবে, শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা চাকরি হারাবেন না এবং লুটেরাদের শাস্তি হবেই। ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পেয়েছে কেন্দ্রের উদ্যোগে এবং দুর্গাপুজো পেয়েছে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি।

সভা ঘিরে স্পষ্ট, নির্বাচনের আগে সিঙ্গুর থেকেই ‘আসল পরিবর্তন’-এর বার্তা দিতে চাইছে বিজেপি। মোদির বক্তব্যে সেই রাজনৈতিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত আরও জোরালো হল।

প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন 1: সিঙ্গুরের সভায় মোদির মূল বার্তা কী ছিল?
উত্তর: পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ।

প্রশ্ন 2: কোন কোন ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন মোদি?
উত্তর: অনুপ্রবেশ, নারী নিরাপত্তা, শিক্ষা, চাকরি ও কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা।

প্রশ্ন 3: শিল্প নিয়ে মোদির প্রতিশ্রুতি কী?
উত্তর: এক জেলা এক পণ্য প্রকল্প ও পাটশিল্প পুনরুজ্জীবন।

প্রশ্ন 4: কেন্দ্রীয় প্রকল্প প্রসঙ্গে কী বললেন মোদি?
উত্তর: আয়ুষ্মান ভারত ও পিএমশ্রী স্কুল আটকে রাখার অভিযোগ তোলেন।

প্রশ্ন 5: নির্বাচনের আগে এই সভার গুরুত্ব কী?
উত্তর: সিঙ্গুর থেকে বিজেপির পরিবর্তনের ডাক রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।